নভে. 082013
 

আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ এবং শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে নয়তো নীরব থাকে। এবং যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানের সম্মান করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৩১

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও শেয দিনে ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে ঈমান রাখে সে যেন মেহমানের সাম্মান করে। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে, অথবা যেন চুপ থাকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭০৬

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ শুরু ায়হ আদাবী (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) যখন কথা বলেছিলেন, তখন আমার দূ-কান (সে কথা) শুনছিলো ও আমার দু-চোখ (তাকে) দেখছিলো। তিনি বলছিলেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে। যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর বিশ্বাস করে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে তার প্রাপ্যের ব্যাপারে। জিজ্ঞেস করা হল মেহমানের প্রাপ্য কি? ইসা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) । তিনি বলেনঃ একদিন একরাত ভালরুপে মেহমানদারী করা। আর তিন দিন হল (সাধারণ) মেহমানদারী আর তার চেয়েও বেশী হলে তা হচ্ছে তার প্রতি অনুগ্রহ। যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের দিনের বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে অথবা নীরব থাকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৯৪

নভে. 052013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহতে ও আখিরাতের দিনে ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। যে আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস করে, সে যেন ভাল কথা বলে- অথবা চুপ করে থাকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৯৩

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলতেনঃ হে মুসলিম মহিলাগণ। কোন প্রতিবেশী নারী যেন তার অপর প্রতিবেশী নারীকে (তার পাঠানো হাদিয়া ফেরত দিয়ে) হেয় প্রতিপন্ন না করে। যদিও তা বকরীর পায়ের ক্ষুর হোক না কেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৯২

নভে. 052013
 

আসিম ইবন আলী (রহঃ) আবূ শুরু ায়হ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) একদা বলছিলেনঃ আল্লাহর কসম! সে ব্যাক্তি মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে লোক মুমিন নয়! আল্লাহর কসম। সে ব্যাক্তি মুমিন নয়। জিজ্ঞাসা করা হলঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে সে লোক? তিনি বললেনঃ যে লোকের প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৯১

নভে. 052013
 

মুহাম্মদ ইবন মিনহাল (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ জিবরাঈল (আঃ) বরাবরই আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে অসীয়ত করে থাকেন। এমনকি আমার মনে হয় যে অচিরেই তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিস বানিয়ে দিবেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৯০

নভে. 052013
 

ইসমাঈল ইবন আবূ উয়াইস (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমাকে জিবরাঈল (আঃ) সব সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে অসীয়ত করে থাকেন। এমনকি, আমার মনে হয়, তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিস বানিয়ে দিবেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৮৯

অক্টো. 282013
 

হযরত হাজ্জাজ ও আলী (রঃ) উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দিকা (রাঃ) থেকে বর্নিত, আমি বললাম, ইয়া রাসূল (সাঃ) , আমার দুজন প্রতিবেশী রয়েছে, তাদের মধ্যে কাকে আমি হাদীয়া দিব? তিনি বললেন, উভয়ের মধ্যে যার দরজা তোমার বেশী কাছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শুফআ হাদিস নাম্বারঃ ২১১৬

অক্টো. 242013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আইউব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইকরামা (রাঃ) আমাদের বললেনঃ- আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতগুলো কথা জানাবো কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (কথাগুলো হল) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বড় কিংবা ছোট মশকের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে এর দেয়ালের উপর খুটি গাড়তে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২২৫