নভে. 152013
 

মুসলিম ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি লাইলাতুল ক্বাদরে ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদাত করে, তাঁর পিছনের সমস্ত গুনাহ মাপ করা হবে। আর যে ব্যাক্তি ঈমানসহ সওয়াবের আশায় রমযানে সিয়াম পালন করবে, তাঁরও অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করা হবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৭৮০

নভে. 072013
 

আবূ নু’মান (রহঃ)…… ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সময়ে আমি (এক রাতে) স্বপ্নে দেখলাম যেন আমার হাতে একখন্ড মোটা রেশমী কাপড় রয়েছে এবং যেন আমি জান্নাতের যে কোন স্থানে যেতে ইচ্ছা করছি। কাপড় (আমাকে) সেখানে উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অপর একটি স্বপ্নে আমি দেখলাম, যেন দু’জন ফিরিশতা আমার কাছে এসে আমাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন। তখন অন্য একজন ফিরিশতা তাঁদের সামনে এসে বললেন, তোমরা কোন ভয় নেই। (আর ঐ দু’জনকে বললেন) তাকে ছেড়ে দাও। (উম্মুল মু’মিনীন) হাফসা (রাঃ) আমার স্বপ্নদ্বয়ের একটি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) কত ভাল লোক! যদি সে রাতের বেলা সালাত (নামায) (তাহাজ্জুদ) আদায় করত। এরপর থেকে আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) রাতের এক অংশে সালাত (নামায) আদায় করতেন। সাহবীগণ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) – এর নিকট (তাঁদের দেখা)স্বপ্ন বর্ণনা দিলেন। লাইলাতুল কদর রামাযানের শেষ দশকের সপ্তম রাতে। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আমি মনে করি যে, (লাইলাতুল কদর শেষ দশকে হওয়ার ব্যাপারে) তোমাদের স্বপ্নগুলোর মধ্যে পরস্পর মিল রয়েছে। কাজেই যে ব্যাক্তি লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান করতে চায় সে যেন তা (রামাযানের) শেষ দশকে অনুসন্ধান করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১০৮৯

নভে. 062013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদিন নাবী (সাঃ) ঘুম থেকে উঠে বললেনঃ অন্ধকার রাতে কত যে ধন-ভাণ্ডার এবং কত যে বিপদ-আপদ নাযিল করা হয়েছে। কে আছ যে এ হুজরা বাসিনীদের অর্থাৎ তার বিবিদের জাগিয়ে দেবে? যাতে তারা সালাত (নামায) আদায় করে। দুনিয়ার কত কাগড় পরিহিতা, আখিরাতে উলঙ্গ হবে! উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন আমি একদিন নাবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি আপনার বিবিগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি বললেনঃ না। তখন আমি বললামঃ আল্লাহু আকবার।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৮৫

নভে. 052013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদিন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) লোকদের -লায়লাতুল কদর” সম্বন্ধে জানানোর জন্য বেরিয়ে আসলেন। তখন দু-জন মুসলমান ঝগড়া করছিলেন। নাবী (সাঃ) বললেনঃ আমি ‘লায়লাতুল কদর’ সম্পর্কে তোমাদের খবর দিতে বেরিয়ে এসেছিলাম। এ সময় অমুক অমুক পরস্পর ঝগড়া করছিল। এজন্য ঐ খবরের ‘ইল্‌ম’ আমার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এটা হয়ত তোমাদের জন্য কল্যাণকরই হবে। অতএব তোমরা তা রমযানের শেষ দশকের নবম! সপ্তম ও পঞ্চম রাতে তালাশ করবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬২৩

নভে. 032013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বীর্ণত। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা পাত্রগুলো ডেকে রেখো, পান-পাত্রগুলো বন্ধ করে রেখো, ঘরে দরজাগুলো বন্ধ করে রেখোর সাঝের বেলায় তোমাদের শিশুদেরকে ঘরে আটকিয়ে রেখো। কেননা এ সময় জ্বিনেরা ছড়িয়ে পড়ে এবং কোন কিছুকে দ্রতি পাকড়াও করে। আর নিদ্রাকালে বাতিগুলো নিভিয়ে দিবে। কেননা অনেক সময় ছোট ছোট অনিষ্টকারী ইঁদুর প্রজ্বলিত সলতেযুক্ত বাতি টেনে নিয়ে যায় এবং গৃহবাসীকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ’ ইবন জুরাইজ এবং হাবীব (রহঃ) আতা (রহঃ) থেকে ‘‘কেননা এ সময় জ্বিনেরা ছড়িয়ে পিড়ে’’ এর পরিবর্তে ‘‘শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে’’ বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৮২

নভে. 032013
 

ইসহাক (রহঃ) জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেন, ‘যখন রাতের আধার নেমে আসবে বা বলেছেন, যখন সন্ধ্যা হয়ে যাবে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে (ঘরে) আটকিয়ে রাখবে। কেননা এ সময় শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে। আর যখন রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হয়ে যাবে তখন তাদেরকে ছেড়ে দিতে পার। তোমরা ঘরের দরজা বন্ধ করবে এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। কেননা শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। ইবন জুরাইজ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি আমর ইবন দীনার (রহঃ) জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে আতা (রহঃ)-এর অনুরূপ বর্ণণা করেছেন। তবে তিনি বলেন নি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৭২

নভে. 032013
 

ইয়াহইয়া ইবন জাফর (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, ‘সূর্যাস্তের পরপরই যখন রাত শুরু হয় অথবা বলেছেন, যখন রাতের অন্ধকার নেমে আসে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে ঘরে আটকে রাখবে। কেননা এ সময় শয়তানের ছড়িয়ে পড়ে। এরপর যখন রাতের কিছু অংশ চলে যাবে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার আর তুমি তোমার ঘরের দরজা বন্ধ করে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমাদের ঘরের বাতি নিভিয়ে দাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার পানি রাখার পাত্রের মুখ বন্ধ রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। তোমার বাসন পত্র ঢেকে রাখ এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। সামান্য কিছু হলেও তার উপর দিয়ে রেখে দাও। ’

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৫০

অক্টো. 272013
 

‘আলী ইবন ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , যখন রমযানের শেষ দশক আসত তখন নাবী (সাঃ) তাঁর লুঙ্গি কষে নিতেন (বেশী বেশী ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন) এবং রাত্রে জেগে থাকতেন ও পরিবার- পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তারাবীহর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১৮৯৭

অক্টো. 272013
 

মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ‘উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , একবার নাবী (সাঃ) আমাদেরকে লাইলাতুল কদরের (নির্দিষ্ট তারিখের) অবহিত করার জন্য বের হয়েছিলেন। তখন দুজন মুসলমান ঝগড়া করছিল। তা দেখে তিনি বললেন : আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কদরের সংবাদ দিবার জন্য বের হয়েছিলাম , তখন অমুক অমুক ঝগড়া করছিল , ফলে তার( নির্দিষ্ট তারিখের) পরিচয় হারিয়ে যায়। সম্ভবত : এর মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যান নিহিত রয়েছে। তোমরা নবম , সপ্তম ও পঞ্চম রাতে তা তালাশ কর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তারাবীহর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১৮৯৬

অক্টো. 272013
 

‘আবদুল্লাহ ইবন আবূল আসওয়াদ (রহঃ) ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , রাসূল (সাঃ) বলেছেন : তা শেষ দশকে , তা অতিবাহিত নবম রাতে অথবা অবশিষ্ট সপ্তম রাতে অর্থাৎ লাইলাতুল কদর। ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত যে , তোমরা ২৪ তম রাতে তালাশ কর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তারাবীহর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১৮৯৫