ডিসে. 312013
 

হুমায়দী (রহঃ) আলকামা ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বরের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ প্রত্যেক কাজ নিয়তের সাথে সম্পর্কিত। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে দুনিয়া লাভের অথবা নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে- সেই উদ্দেশ্যেই হবে তার হিজরতের প্রাপ্য।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি (ইফা) অধ্যায়ঃ ১/ ওহীর সূচনা হাদিস নম্বরঃ 1
অক্টো. 262013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা ভার নিয়্যাতের উপয় নির্ভরশীল। কোন ব্যাক্তি তাই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও তার রাসুলের সন্তুষ্টির জন্য হিজরত করবে তার হিজরত আল্লাহ ও তার রাসূল (সাঃ) -এর সন্তুটির জন্যই হবে। আর যার হিজরত দুনিয়াকে হাসিলের জন্য হবে অথবা কোন রমনীকে বিয়ে করার জন্য হবে তার হিজরত সে উদ্দেশ্যই হবে যে জন্য সে হিজরত করেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৩২

অক্টো. 132013
 

হাকাম ইবন নাফি’ (রহঃ) সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেনঃ ‘তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় যা-ই খরচ কর না কেন, তোমাকে তার সওয়াব অবশ্যই দেওয়া হবে। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যা তুলে দাও, তারও। ’

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৫৪

অক্টো. 132013
 

হাজ্জাজ ইবন মিনহাল (রহঃ) আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেনঃ মানুষ তার পরিবারের জন্য সওয়াবের নিয়তে যখন খরচ করে তখন তা হয় তার সদকা স্বরূপ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৫৩

অক্টো. 132013
 

আবদুল্লাহ্ ইবন মাসলাম (রহঃ) ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেনঃ কাজ নিয়তের সাথে সম্পর্কিত এবং প্রত্যেক মানুষের প্রাপ্য তার নিয়ত অনুযায়ী। অতএব যার হিজরত হবে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) -এর উদ্দেশ্যে তার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) -এর উদ্দেশ্যে হয়েছে বলেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত হয় দুনিয়া হাসিলের জন্য বা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য, তার হিজরত সে উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যে উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৫২

অক্টো. 132013
 

মুহাম্মদ ইবন কাছীর (রহঃ) উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেছেন, আমলসমূহ নিয়্যতের সাথে সম্পৃক্ত। আর মানুষ তাই পাবে, যা যে সে নিয়্যত করবে। কাজেই কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) -এর উদ্দেশ্যে হিজরত করে থাকলে তার স হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) -এর উদ্দেশ্যে বলেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত হবে দুনিয়া হাসিলের উদ্দেশ্য অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার মতলবে, তার হিজরত সে উদ্দেশ্যে বলেই গণ্য হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ গোলাম আযাদ করা হাদিস নাম্বারঃ ২৩৬২

অক্টো. 102013
 

হুমায়দী (রহঃ) আলকামা ইবন ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বরের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ প্রত্যেক কাজ নিয়তের সাথে সম্পর্কিত। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে দুনিয়া লাভের অথবা নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে- সেই উদ্দেশ্যেই হবে তার হিজরতের প্রাপ্য।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ওহীর সূচনা হাদিস নম্বরঃ ১

অক্টো. 042013
 

আবূ নু’মান (রহঃ) উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি! হে জনতা, সকল আমলই নিয়তের সাতে সম্পৃক্ত। যে যা নিয়ত করবে সে তা-ই পাবে। যার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) এর জন্য হবে তার হিজরত আল্লাহ্ও তাঁর রাসূল (সাঃ) এর জন্যই হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া পাওয়ার জন্য বা কোন রমণীকে বিয়ে করার জন্য হবে, তার হিজরত সে জন্যই হবে, যে জন্য সে হিজরত করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৮৩

অক্টো. 042013
 

ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন কাযা’আ (রহঃ) উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, নিয়্যতের ওপরেই কাজের ফলাফল নির্ভর করে এবং প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিয়্যত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) -এর সন্তুষ্টির জন্য তার হিজরত আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের জনেই। আর যার হিজরত পার্থিব স্বার্থের জন্য অথবা কোন মহিলাকে শাদী করার জন্য, সে তাই পাবে, যে উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিয়ে-শাদী হাদিস নাম্বারঃ ৪৭০০

অক্টো. 022013
 

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) বর্ণনা করেন:
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মহিমান্বিত প্রতিপালকের পক্ষ হতে বলেন,

“আল্লাহ তাআলা সৎকাজ ও পাপ কাজের সীমা চিহ্নিত করে দিয়েছেন এবং সেগুলোর বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে বিবৃত করেছেন। অতএব, যে ব্যক্তি কোন সৎ কাজে সংকল্প ব্যক্ত করেও এখন পর্যন্ত তা সম্পাদন করতে পারেনি, আল্লাহ তার আমলনামায় একটি পূর্ণ নেকী লিপিবদ্ধ করার আদেশ দেন। আর সংকল্প পোষণের পর যদি উক্ত কাজটি সম্পাদন করা হয়, তাহলে আল্লাহ তার আমলনামায় দশটি নেকী থেকে শুরু করে সাত শো, এমনকি তার চেয়েও কয়েক গুণ বেশি নেকী লিপিবদ্ধ করে দেন। আর যদি সে কোনো পাপ কাজের ইচ্ছা পোষণ করেও তা সম্পাদন না করে, তবে আল্লাহ তার বিনিময়ে তার আমলনামায় একটি পূর্ণ নেকী লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি ইচ্ছা পোষণের পর সেই খারাপ কাজটি সে করেই ফেলে, তাহলে আল্লাহ তার আমলনামায় শুধু একটি পাপই লিখে রাখেন।”

(বুখারী ও মুসলিম)
রিয়াদুস সলিহীন:১১