নভে. 172013
 

কুতাইবা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আবূ মূসাশারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা বন্দীকে মুক্ত কর, ক্ষুধারর্তকে আহার দান কর এবং রোগীর সেবা-শুশ্রুষা কর।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৩২

নভে. 142013
 

হযরত ইসহাক ও মুহাম্মাদ ইবনু সালাম (রহঃ) উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দিকা (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, কুরআনের আয়াত : যে অভাবমুক্ত সে যেন নিবৃত্ত থাকে এবং যে অভাবগ্রস্থ সে যেন সঙ্গত পরিমানে ভোগ করে (৪:৬)। ইয়াতীমের ঐ অভিভাবক সম্পর্কে অবতীর্ন হয়ে, যে তার তত্ত্বাবধান করে ও তার সম্পত্তির পরিচর্যা করে, সে যদি অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তা থেকে নিয়ম মাফিক খেতে পারবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০৭০

নভে. 102013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ একদা হিবা বিনত উতবা (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আল্লাহর কসম! যমীনের রক এমন কোন পরিবার ছিল না, আপনার পরিবারের চেয়ে যার লাঞ্ছনা ও অবমাননা আমার নিকট বেশি প্রিয় ও পছব্দনীয় ছিল। কিন্তু আজ আমার নিকট এরুপ হয়েছে যে, এমন কোন পরিবার যমীনের বুকে নেই, যে পরিবার আপনার পরিবারের চাইতে বেশি উত্তম ও সম্মানিত। তারপর হিন্দা (রাঃ) বলল, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) একজন ভীষণ কৃপণ লোক। কাজেই আমি আমাদের সন্তানদেরকে তার সম্পদ থেকে খাওয়াই, আমার জন্য এটা দোষের হবে কি? নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেনঃ না, তোমার জন্য তাদেরকে খাওয়ানো কোন দোষের হবে না, যদি তা ন্যায়সঙ্গত হয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৭৫

নভে. 052013
 

ইসমাঈল ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) সাফওয়ান ইবন সুলায়ম (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি নাবী (সাঃ) থেকে মারফু রুপে বর্ণনা করেছেন। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি বিধবা ও মিসকীনদের ভরণপোষণের চেষ্টা করে, সে আল্লাহর পথের জিহাদকারীর ন্যায়। অথবা সে ঐ ব্যাক্তির ন্যায় যে দিনে সিয়াম পালন করে ও রাতে (নফল ইবাদতে) দাড়িয়ে থাকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৮০

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন আবদূস ওহাব (রহঃ) সাহল ইবন স্বাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমি ও ইয়াতীমের তত্বাবধানকারী জান্নাতে এভাবে (পাশাপাশি) থাকবো। এ কথা বলার সময় তিনি তর্জনী ও মধামা আঙ্গুল মিলিয়ে ইশারা করে দেখান।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৭৯

নভে. 022013
 

আমর ইবন যুবারা (রহঃ) সাহল (রাঃ) থেকে বর্নিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমি ও ইয়াতীমের প্রতিপালনকারী জান্নাতে এরুপ নিকটে থাকব। এই বলে তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল দুটি দ্বারা ইশারা করলেন এবং এ দু টির মাঝে সামান্য ফাক রাখলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তালাক হাদিস নাম্বারঃ ৪৯২১

অক্টো. 302013
 

ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন বুকাই (রহঃ) আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার উপর জুলুম করবে না এবং তাকে জালিমের হাতে সোপর্দ করবে না। যে কেউ তার ভাইয়ের অভাব পুরণ করবে আল্লাহ তার অভাব পূরণ করবেন। যে ব্যাক্তি (পৃথিবীতে) কোন মুসলমানের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার বিপদসমূহ দূর করবেন। যে ব্যাক্তি কোন মুসলমানের দোষ গোপন করবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৮০

অক্টো. 272013
 

ইয়াহইয়া ইবন বুকায়র (রহঃ) নাবী (সাঃ) -এর স্ত্রী উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আমার বোন আবূ সুফিইয়ানের মেয়েকে আপনি বিবাহ করুন। তিনি বললেনঃ তুমি কি তা পছন্দ কর? আমি বললাম, হ্যা। আমি তো আর আপনার সংসারে একা নই। আমার সঙ্গে এই সৌভাগ্যের অংশীদার, আমার বোনও তাদের অভভুক্ত হোক তাই আমি বেশী পছন্দ করি। তিনি বললেনঃ কিন্তু সে যে আমার জন্য হালাল হবে না? আমি বললাম: ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আল্লাহর কসম! আমাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে আপনি নাকি উম্মে সালামার মেয়ে দুররাকে বিয়ে করার ইচ্ছা করেছেন? তিনি বললেনঃ উম্মে সালামার মেয়েকে? আমি বললামঃ হ্যা। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! সে যদি আমার কোলে পালিত, পূর্ব স্বামীর ঔরসে উম্মে সালামার গর্ভজাত সন্তান নাও-হতো, তবু সে আমার জন্য হালাল ছিল না। সে তো আমার দুধ-ভাইয়ের কন্যা। সুওয়াহাবা আমাকে ও আবূ সালামাকে দূধ পান করিয়েছেন। সুতরাং তোমাদের কন্যা ও বোনদের আমার সামনে পেশ করো না। শুয়াইব যুহরী থেকে বর্ননা করেছেন যে, উরওয়া বলেছেনঃ সুওয়ায়বাকে আবূ লাহাব মুক্ত করে দিয়েছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ভরণ পোষণ হাদিস নাম্বারঃ ৪৯৮১

অক্টো. 272013
 

মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হিনদা এসে বললঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) । আবূ সুফিয়ান কৃপন লোক। আমার ও সন্তানের প্রয়োজন মতো আমি যদি তার মাল থেকে কিছু গ্রহণ করি, তবে কি আমার গুনাহ হবে? তিনি বললেনঃ নিতে পার। নাবী (সাঃ) -এর উক্তি যে ব্যাক্তি (ঝণ ইত্যাদির) কোন বোঝা অথবা সন্তান সন্তত্তি রেখে মারা যাবে, তার দায়দায়িত্ব আমার উপর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ভরণ পোষণ হাদিস নাম্বারঃ ৪৯৭৯

অক্টো. 272013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আবূ সালামার সন্তানদের জন্য ব্যয় করলে তাতে আমার কোন সাওয়াব হবে কি? আমি তাদের এ (অভাবী) অবস্থায় ত্যাগ করতে পারি না। তারা তো আমারই সন্তান। তিনি বললেনঃ হ্যা, তাদের জন্য খরচ করলে তুমি সাওয়াব পাবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ভরণ পোষণ হাদিস নাম্বারঃ ৪৯৭৮