নভে. 162013
 

উবাইদ ইবনু ইসমাইল(রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলূল্লাহ গনীমতের মাল থেকে ঘোড়ার জন্য দু’ অংশ এবং আরোহীর জন্য এক অংশ নির্ধারিত করে দিয়েছিলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬৬৬

অক্টো. 302013
 

মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ (প্রথমে) মাল ছিল সন্তানাদির আর ওসিয়াত ছিল পিতামাতার জন্য। কিন্তু পরে আল্লাহ তা রহিত করে দিয়ে এর চেয়ে উত্তমটি প্রবর্তন করেছেন। পূরুষের জন্য নারীদের দু-জনের সমতূল্য অংশ নির্ধারণ করেছেন। আর পিতা-মাতার প্রত্যেকের জন্য এক-যষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন। স্ত্রীর জন্য নির্ধারণ করেছেন (সন্তান থাকা অবস্হায়) এক-অষ্টমাংশ এবং (সন্তান না থাকলে) এক-চতূর্থাংশ। আর স্বামীর জন্য (সন্তান না থাকলে) অর্ধেক আর (সন্তান থাকলে) এক-চতুর্থাংশ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬২৮৩

অক্টো. 302013
 

মুসলিম (রহঃ) জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) মসজিদে প্রবেশ করলেন। আমি উটটাকে মসজিদের আঙ্গিনার পাশে বেঁধে রেখে তাঁর কাছে গেলাম এবং বললাম, এটা আপনার উট। তিনি বেরিয়ে এলেন এবং উটের পাশে ঘুরাফিরা করতে লাগলেন। তারপর বললেন, উট ও তার মূল্য দু’টোই তোমার।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২৩০৮

অক্টো. 302013
 

আবদুল্লাহ ইব্‌ন ইউসুফ (রহঃ) সালাহ ইব্‌ন সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) এর কাছে কিছু পানীয় দ্রব্য আনা হল। রাসূল (সাঃ) তার কিছুটা পান করলেন। রাসূল (সাঃ) ডান দিকে বসা ছিল একটি বালক আর বাম দিকে ছিলো বয়োজ্যেষ্ঠরা। রাসূল (সাঃ) বলাকটিকে বললেন, এ বয়োজ্যেষ্ঠেদেরকে দেওয়ার জন্য তুমি আমাকে অনুমতি দিবে কি? তখণ বালকটি বলল, না, ইয়া রাসূল (সাঃ)! আল্লাহর কসম, আমি আপনার কাছ থেকে প্রাপ্য আমার অংশে কাউকে অগ্রাধিকার দিব না। রাবী বলেন, তখন রাসূল (সাঃ) পানির পেয়ালাটা তার হাতে ঠেলে দিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৮৯

অক্টো. 292013
 

ইয়াকুব ইবন ইবরাহীম (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) যখর মদিনায় এলেন, তখন তাঁর কোন খাদিম ছিল না। আবূ তালহা (রাঃ) আমার হাত ধরে রাসূল (সাঃ) -এর কাছে আমাকে নিয়ে গেলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূল (সাঃ)! আনাস একজন বুদিধমান ছেলে। সে আপনার খেদমত করবে। ’ এরপর প্রবাসে ও আবাসোমি তাঁর খেদমত করেছি। আমার কৃত কোন কাজ সম্পর্কে তিনি কখনো বলেননি, তুমি এরূপ কেন করলেন? কোন কাজ না করলে তিনি বলেননি, তুমি এটি এরূপ কেন করলে না।? ———————- ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, সুলাইমান (রহঃ) নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত, ইবন উমর (রাঃ) কখনো কারো অসীয়াত প্রত্যাখ্যান করেননি। ইবন সীরিন (রহঃ)-এর কাছে ইয়াতীমের মাল সম্পর্কে সবচাইতে প্রিয় বিষয় ছিল, অভিভাবক ও শুভাকাঙ্খীদের একত্রিত হওয়া, যাতে তার কল্যাণের কথা বিবেচনা করে। তাউস (রহঃ)-এর কাছে ইয়াতীমের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি পাঠ করতেনঃ আল্লাহ জানেন কে হিতকারী আর কে অনিষ্টকারী। আতা (রহঃ) বলেন, ইয়াতীম ছোট হোক কিংবা বড়, অভিভাবক তার অংশ থেকে প্রত্যেকের জন্য পরিমাণ মত ব্যয় করতে পারবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অসিয়াত হাদিস নাম্বারঃ ২৫৭৯

অক্টো. 282013
 

আবূ নু’মান (রহঃ) জাবির ও ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) এবং তাঁর সাহাবীগণ ৪ঠা যিলহাজ্জ ভোরে শুধু হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বেধে মক্কায এসে পৌছলেন। কিন্তু আমরা মক্কায় এসে পৌছালে তিনি আমাদেরকে হাজ্জের (হজ্জ) ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিবর্তিত করার আদেশ দিলেন। তখন আমরা হাজ্জ (হজ্জ)কে উমরায় পরিবর্তিত করলাম। তিনি আমাদেরকে স্ত্রীদের সাথে সহবাসেরও অনুমতি দিলেন। এ বিষয়ে কেউ কথা ছাড়ালো। (অধস্তন রাবী) আতা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বলেছেন আমাদের মধ্যে কেউ কেউ স্ত্রীর সাথে সংগম করে মিনায় যাবে। এ কথা বলে জাবির (রাঃ) নিজের হাত লজ্জাস্থানের দিকে ইংগিত করে দেখালেন। এ খবর নাবী (সাঃ) -এর কানে পৌছলে তিনি দাড়িয়ে ভাষণ দিলেন। আমি শুনতে পেয়েছি যে, লোকেরা এটা সেটা বলছে। আল্লাহর কসম! আমি তাদের চেয়ে অধিকা পরহেযগার এবং অধিক আল্লাহভীরু। পরে যা জেনেছি তা আগে ভাগে জানতে পারলে হাদী (হাজ্জের (হজ্জ) কুরবানীর জন্তু) সাথে নিয়ে আসতাম না। আর সাথে হাদী না থাকলে আমি ও ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যেতাম। তখন সুরাকা ইবন মালিক ইবন জুসুম (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসূল (সাঃ)! এ হুকুম শুধু আমাদের জন্য না, এটা সর্বকালের জন্য। (রাবী আতা র ) বলেন, পরে আলী ইবন আবূ তালিব (রাঃ) ( ইয়ামান থেকে) মক্কায় এলন দুই রাবীর একজন বলেন যে, তিনি বলেছেন, আমি রাসূল (সাঃ) -এর অনুরূপ ইহরাম বাধলাম। অপরজনের মতে তিনি বললেন, আমি রাসূল (সাঃ) -এর অনুরূপ ইহরাম বাধলাম। ফলে নাবী (সাঃ) তাকে ইহরাম অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিলেন এবং তাকেও হাদী এর মধ্যে শরীক করে দিলেন

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অংশীদারিত্ব হাদিস নাম্বারঃ ২৩৪১

অক্টো. 282013
 

আবূ নু’মান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, কেউ (শরীকী) গোলাম থেকে একটা অংশ আযাদ করে দিলে সম্পূর্ণ গোলামটাই আযাদ হয়ে যাবে। যদি তার কাছে (প্রয়োজনীয়) অর্থ থাকে (তাহলে সেখান থেকে অন্য অংশীদারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে) অন্যথায় অতিরিক্ত কষ্ট না চাপিয়ে তাকে উপার্জন করতে বলা হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অংশীদারিত্ব হাদিস নাম্বারঃ ২৩৪০

অক্টো. 282013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, (শরীকী) গোলাম থেকে কেউ নিজের অংশ আযাদ করে দিলে সেই গোলামের সম্পূর্ণটা আযাদ করা তার জন্য ওয়াজিব হয়ে যাবে। যদি তার কাছে সেই গোলামের মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকে, তাহলে নায্যমূল্য নির্ধারিত করে অংশীদারদের তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করা হেব এবং আযাদ কৃত গোলামের পথ ছেড়ে দেওয়া হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অংশীদারিত্ব হাদিস নাম্বারঃ ২৩৩৯

অক্টো. 282013
 

আসবাগ ইবন ফারজ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন হিশাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নাবী (সাঃ) -এর সাক্ষাত পেয়েছিলেন। তার মা যায়নাব বিনতে হুমাইদ (রাঃ) একবার তাকে রাসূল (সাঃ) -এর নিকট নিয়েগেলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূল (সাঃ)! একে বায়আত করে নিন। তিনি বললেন যে তো ছোট। তখন তিনি তার মাথায় আরো বর্ণিত আছে যে, তার দাদা আবদুল্লাহ ইবন হিশাম (রাঃ) তাকে নিয়ে বাজারে যেতেন, খাদ্য সামগ্রী খরিদ করতেন। পথে ইবন উমর (রাঃ) ও ইবন যুবায়েরর সাথে দেখা হলে তারা তাকে বলতেন ( আপনার সাথে ব্যবসায় ) আমাদেরও শরীক করে নিন। কেননা নাবী (সাঃ) আপনার জন্য বরকতের দু’আ করেছেন। এ কথায় তিনি তাদের শরীক করে নিতেন। অনেক সময় ( লভ্যাংশ হিসাবে) এক উট বোঝাই মাল তিনি ভাগে পেতেন আর তা বাড়ীতে পাঠিয়ে দিতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অংশীদারিত্ব হাদিস নাম্বারঃ ২৩৩৮

অক্টো. 282013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) উকবা ইবম আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাঃ) কুরবানীর কিছু বকরী সাহাবীদের মাঝে বন্টনের জন্য তাকে (দায়িত্ব) দিয়েছেলেন। বন্টন শেষে এক বছর বয়সী একটা ছাগল ছানা রয়ে গেল। রাসূল (সাঃ) -কে সে কথা জানালে তিনি ইরশাদ করলেন, ওটা তুমিই কুরবানী করো।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অংশীদারিত্ব হাদিস নাম্বারঃ ২৩৩৭