নভে. 212013
 

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ আমি এমন এক জনপদে হিজরত করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি, যে জনপদ অন্য সকল জনপদের উপর জয়ী হবে। লোকেরা তাঁকে ইয়াসরিব বলে থাকে। এ হল মদিনা। তা অবাঞ্ছিত লোকদেরকে এমনভাবে বহিষ্কার করে দেয়, যেমনভাবে কামারের অগ্নিচুলা লোহার মরিচা দূর করে দেয়।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৫০

নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আমর বিনত আব্দুর রাহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সহধীর্মণী আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা তাঁর নিকট ছিলেন। তখন আয়িশা (রাঃ) আওয়াজ শুনতে পেলেন যে, জনৈক ব্যাক্তি হাফসা (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! এ ব্যাক্তি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার মনে হয়, সে অমুক, হাফসা (রাঃ)-এর দুধ চাচা। (নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জি বললেন) দুধপান তা-ই হারাম করে, যা জন্মগত সম্পর্কে কারণে হারাম হয়।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৮৬

নভে. 102013
 

মুহাম্মাদ ইবন কাসীর (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, হিন্দা (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলল, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) বড়ই কৃপন ব্যাক্তি। অতএব (তার অগোচরে) তার সম্পদ থেকে কিছু নিতে আমি বাধ্য হয়ে পড়ি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমার ও সন্তানের যতটুকু প্রয়োজন হয় ন্যায়সঙ্গতভাবে সেই পরিমাণ নিতে পার।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৯১

নভে. 102013
 

ইসমাঈল ইবন আবূ ওয়ায়স (রহঃ) উরওয়া ইবন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, মারওয়ান ইবন হাকাম ও মিসওয়ার ইবন মাখরামা (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাওয়াযেনের বন্দীদেরকে আযাদ করে দেওয়ার ব্যাপারে মুসলমানরা যখন সর্বসম্মতিতে এসে অনুমতি দিলেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে অনুমতি দিয়েছ, আর কে দাওনি, তা আমি বুঝতে পারিনি। অতএব তোমরা ফিরে যাও, তোমাদের প্রতিনিধিরা তোমাদের মতামত নিয়ে আমার কাছে আসবে। লোকেরা ফিরে গেল এবং তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করল। পরে তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট ফিরে এসে জানাল যে, লোকেরা খুশী মনে অনুমতি দিয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৮৮

নভে. 092013
 

হাসান ইবন উমর (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যায়নাব বিনত জাহশ (রাঃ) কে বিয়ে করলেন, তখন তিনি কয়েকজন লোককে দাওয়াত করলেন। তারা আহার করার পর বসে বসে অনেক সময় আলাপ আলোচনায় মশগুল থাকলেন। তখন তিনি নিজে উঠে চলে যাওয়ার ভাব প্রকাশ করতে শুরু করলেন। কিন্তু এতেও তারা উঠলেন না। তিনি এ অবস্থা দেখে নিজেই উঠে দাড়ালেন। যখন তিনি চলে গেলেন, তখন লোকজনের মধ্যে যারা দাড়াবার ইচ্ছা করলেন, তারা তার সাথেই উঠে চলে গেলেন। কিন্তু তাদের তিনজন থেকে গেলেন। এরপর যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেন, তখন দেখলেন যে ঐ তিনজন তখনো বসে রয়েছে। কিছুক্ষণ পর তারাও উঠে চলে গেলে, আমি গিয়ে তাকে তাদের চলে যাওয়ার সংবাদ দিলাম। এরপর তিনি এসে ঘরে ঢূকলেন। তখন আমিও ঢ়ুকতে চাইলে তিনি আমার ও তার মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। এই সময় আল্লাহ তাআলা ওহী নাযিল করলেন: হে মুনিনগণ! তোমাদের অনুমতি দেওয়া না হলে তোমরা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গৃহে প্রবেশ করবে না। আল্লাহর দৃষ্টিতে তা ঘোরতর অপরাধ (৩৩: ৫৩)।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৩৭

নভে. 092013
 

খাল্লাদ ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন ব্যাক্তিকে তার বসার জায়গা থেকে তুলে দিয়ে সেখানে অপর ব্যাক্তিকে বসতে নিষেধ করেছেন। তবে তোমরা বসার জায়গা প্রশস্ত করে দাও এবং ব্যবস্থা করে দাও। ইবন উমর (রাঃ) কেউ তার জায়গা থেকে উঠে যাক এবং তার জায়গায় অন্যজন বসুক তা পছন্দ করতেন না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৩৬

নভে. 092013
 

ইসমাঈল ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি অপর কাউকে তার বসার জায়গা থেকে তুলে দিয়ে সে সেখানে বসবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৩৫

নভে. 092013
 

ইসহাক এবং আহমদ ইবন সালিহ (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত যে আলী ইবন আবূ তালিব যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর অতিক্রম কালের সময় তাঁর কাছে থেকে বেরিয়ে এলেন লোকেরা তাকে জিজ্ঞাসা করলো হে আবূল হাসান! কিভাবে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর ভোর হয়েছে? তিনি বললেনঃ সুস্থ অবস্থায় তার ভোর হয়েছে। তখন আব্বাস (রাঃ) তার হাত ধরে বললেনঃ তুমি কি তার অবস্হা বুঝতে পারছ না? তুমি তিনদিন পরই লাঠির গোলাম হয়ে যাবে। আল্লাহর কসম! আমি নিঃসন্দেহে ধারণা করছি যে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ রোগেই সত্তর ইন্তেকাল করবেন। আমি বনূ আবদুল মুত্তালিবের চেহারা থেকে তাঁদের ওফাতের লক্ষণ চিনতে পারি। অতএব তুমি আমাদের রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট নিয়ে যাও। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তার অবর্তমানে খিলাফতের দায়িত্ব কাদের হাতে থাকবে? যদি আমাদের খান্দানেই থাকে তবে তা আমরা জেনে রাখলাম। আর যদি অন্য কোন গোত্রের হাতে থাকবে বলে জানি, তবে আমরা তার সাথে পরামর্শ করবো এবং তিনি আমাদের জন্য অসিয়ৎ করে যাবেন। আলী (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম! যদি আমরা এ ব্যাপারে রাসুলুলাহ কে জিজ্ঞাসা করি আর তিনি এ সম্পর্কে আমাদের বিরত থাকার নির্দেশ দেন, তাহলে লোকজন কখনও আমালের এর সুযোগ দেবেন না। সুতরাং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে কখনো জিজ্ঞেস করবো না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৩২

নভে. 092013
 

ইবন বাশশার (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তারপর উঠে বস প্রশান্তির সাথে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮১৮

নভে. 092013
 

আবূল ওয়ালীদ হিশাম ইবন আব্দুল মালিক (রহঃ) জাবির বলেনঃ বলেন, আমার পিতার কিছু ঋণ ছিল। এ বিষয়ে আলোচনা করার জন্য আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে আসলাম এবং দরজায় করাঘাত করলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: কে? আমি বললাম: আমি। তখন তিনি বললেনঃ আমি আমি যেন তিনি তা অপছন্দ করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮১৬