নভে. 222013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’আ করেছেন, হে আল্লাহ! আয়্যাশ ইবনু আবূ রবীআকে (কাফিরদের অত্যাচার হতে) মুক্তি দ্বীন। হে আল্লাহ! সালাম ইবনু হিশামকে বাজাত দ্বীন। হে আল্লাহ! ওয়ালিদ ইবনু ওয়ালিদকে নাজাত দিন। হে আল্লাহ! দুর্বল মুমিনদেরকেও মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! মুযার গোত্রের উপর আপনার পাকড়াওকে মজবুত করুন , হে আল্লাহ! এ গোত্রের উপর এমন দুর্ভিক্ষ এ অভাব অনটন নাযিল করুন যেমন দুর্ভিক্ষ ইউসুফ আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর যামানায় হয়েছিল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১৪৮

নভে. 222013
 

উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসান এবং হুসাইন (রাঃ)-এর জন্য নিম্নোক্ত দু’আ পড়ে পানাহ চাইতেন আর বলতেন, তোমাদের পিতা (ইব্‌রাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসমাঈল ও ইসহাক আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর জন্য দু’আ পড়ে পানাহ চাইতেন। (দু’আটি হল,)আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাত দ্বারা প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং প্রত্যেক কুদৃষ্টির অনিষ্ট হতে পানাহ চাচ্ছি।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১৩২

নভে. 162013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তুফাইল ইবনু আমর দাওসী ও তাঁর সঙ্গীরা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এস বলল, ‘ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! দাওস গোত্রের লোকেরা ইসলাম গ্রহণে অবাধ্য হয়েছে ও অস্বীকার করেছে। আপনি তাদের বিরুদ্ধে দু‘আ করুন’। তারপর বলা হল, দাওস গোত্র ধ্বংস হোক। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘ইয়া আল্লাহ! আপনি দাওস গোত্রকে হিদায়াত করুন এবং তাদের (ইসলামে) নিয়ে আসুন’।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৩৬

নভে. 162013
 

কাবীসা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুনূতে নাযিলায় এই দু‘আ করতেন, ‘ইয়া আল্লাহ! আপনি সালামা ইবনু হিশামকে নাজাত দিন। ইয়া আল্লাহ্ ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদকে নাজাত দিন। ইয়া আল্লাহ! আয়্যাশ ইবনু আবী রাবী‘আ-কে নাজাত দিন। ইয়া আল্লাহ্! দুর্বল মুমিনদের নাজাত দিন। ইয়া আল্লাহ মুযার গোত্রকে সমূলে ধ্বংস করুন। ইয়া আল্লাহ! (মুশরিকদের উপর) ইউছুফ আলাইহি ওয়া সাল্লাম – এর সময়কালীন দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষ নাযিল করুন’।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৩১

নভে. 162013
 

কুতাইবা(রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ তালহাকে বলেন, তোমাদের ছেলেদের মধ্য থেকে একটি ছেলে খুজে আন, যে আমার খেদমত করতে পারে। এমনকি তাকে আমি খায়বারেও নিয়ে জেতে পারি। তারপর আবূ তালহা (রাঃ) আমাকে তাঁর সওয়ারীর পেছনে বসিয়ে নিয়ে চললেন। আমি তখন প্রায় সাবালক। আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর খেদমত করতে লাগলাম। তিনি যখন অবতরন করতেন, তখন প্রায়ই তাকে এই দুয়া করতে শুনতামঃ ‘ইয়া আল্লাহ!আমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ক্রিপনতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণভার ও লোকজনের প্রাধান্য থেকে আপনার কাছে পানাহ চাচ্ছি। ’ পড়ে আমরা খায়বারে গিয়ে উপস্থিত হলাম। তারপর যখন আল্লাহ তা’আলা তাঁকে দুর্গের উপর বিজয়ী করলেন, তখন তাঁর কাছে সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই ইবনু আখতাবের সৌন্দর্জের কথা ইল্লেখ করা হলও, তিনি ছিলেন সদ্য বিবাহিতা; তাঁর স্বামীকে হত্যা করা হয়েছিল এবং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে নিজের জন্য মনোনীত করলেন। তারপর তাঁকে নিয়ে রওয়ানা হলেন। আমরা যখন সা’দ্দুস সাহৱা নামক স্স্থানে পৌঁছলাম তখন সাফিয়া (রাঃ) হায়েজ থেকে পবিত্র হন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে তাঁর সাথে বাসর যাপন করেন। এরপর তিনি চামড়ার ছোট দস্তরখানে ‘হায়সা’(এক প্রকার খাদ্য) প্রস্তুত করে আমাকে আশেপাশের লোকজনকে ডাকার নির্দেশ দিলেন। এই ছিল রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সাথে সাফিয়্যার বিয়ের ওয়ালিমা। তারপর আমরা মদিনার দিকে রওয়ানা দিলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি দেখতে পেলাম যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর পেছনের চাঁদর দিয়ে সাফিয়্যাকে পর্দা করছেন। উঠানামার প্রয়োজন হলে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উটের কাছে হাঁটু বাড়িয়ে বসতেন, আর সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁর উপর পা রেখে উতে আরোহণ করতেন। এভাবে আমরা মদিনার নিকটবর্তী হলাম। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উহুদের দিকে তাকিয়ে বললেন, এটি এমন একটি পাহাড় যা আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাঁকে ভালবাসি। তারপর মদিনার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ইয়া আল্লাহ, এই কঙ্করময় দুটি ময়দানের মধ্যবর্তী স্থানকে আমি ‘হারাম’(সম্মানিত স্থান) ঘোষণা করছি। ইয়া আল্লাহ! আপনি তাদের মুদ এবং সা’তে বরকত দান করুন। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬৯৪

নভে. 162013
 

মূসা ইবনু ইসমাইল(রহঃ) আমর ইবনু মায়মুন আউদী(রহঃ) থেকে বর্ণিত, শিক্ষক যেমন ছাত্রদের লেখা শিক্ষা দেন, সা’দ (রাঃ) তেমনি তাঁর সন্তানদের এ বাক্যগুলো শিক্ষা দিতেন এবং বলতেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাত (নামায)-এর পর এগুলো থেকে পানাহ চাইতেন, ‘হে আল্লাহ! আমি ভীরুতা, অতি বার্ধক্য, দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের আজাব থেকে আপনার নিকট পানাহ চাই। ’ রাবী বলেন, আমি মুসআব (রাঃ)-এর নকত হাদিসটি বর্ণনা করলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬২৬

নভে. 162013
 

ইয়াহইয়া ইবনু সালিহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর প্রতি যে ঈমান আনল, সালাত (নামায) আদায় করল ও রমযানের সিয়াম পালন করল সে আল্লাহর পথে জিহাদ করুক কিংবা স্বীয় জন্মভূমিতে বসে থাকুক, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়। সাহাবীগণ বললেন, ইয়অ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমরা কি লোকদের এ সুসংবাদ পৌঁছে দিব না? তিনি বলেন, আল্লাহর পথে মুজাহিদদের জন্য আল্লাহ তাআলা জান্নাতে একশটি মর্যাদার স্তর প্রস্ত্তত রেখেছেন। দু’টি স্তরের ব্যবধান আসমান ও যমীনের দুরত্বের ন্যায়। তোমরা আল্লাহর কাছে চাইলে ফেরদাউস চাইবে। কেননা এটাই হল সবচাইতে উত্তম ও সর্বোচ্চ জান্নাত। আমার মনে হয়, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ-ও বলেছেন, এর উপরে রয়েছে আরশে রহমান। আর সেখান থেকে জান্নাতের নহরসমূহ প্রবাহিত হচ্ছে। মুহাম্মদ ইবনু ফুলাইহ্ (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে (নিঃসন্দেহে) বলেন, এর উপরে রয়েছে আরশে রহমান।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৫৯৮

নভে. 142013
 

হযরত ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) হযরত ইবনু উমর (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, একদা তিন ব্যাক্তি হেঁটে চলছিল। এমন সময় প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে তারা এক পাহাড়ের গুহায় প্রবেশ করে। হঠাৎ একটি পাথর গড়িয়ে তাদের গুহার মুখ বন্ধ করে দেয়। তাদের একজন আরেকজনকে বলল, তোমরা যে সব আমল করেছ, তার মধ্যে উত্তম আমলের ওয়াসীলা করে মহান আল্লাহ্ তা’আলার কাছে দুআ করো। তাদের একজন বলল, ইয়া আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন, আমার পিতামাতা অতিবৃদ্ধ ছিলেন, আমি (প্রত্যহ সকালে) মেষ চরাতে বের হতাম। তারপর ফিরে এসে দুধ দোহন করতাম। এবং এ দুধ নিয়ে আমার পিতামাতার নিকট উপস্থিত হতাম ও তাঁরা তা পান করতেন। তারপরে আমি শিশুদের, পরিজনদের এবং আমার স্ত্রীকে পান করতে দিতাম। একরাত্রে আমি আটকা পড়ে যাই। তারপর আমি যখন এলাম তখন তাঁরা দুজনে ঘুমিয়ে পড়েছেন। সে বলল, আমি তাদের জাগানো পছন্দ করলামনা। আর তখন শিশুর আমার পায়ের কাছে (ক্ষুধায়) চীৎকার করছিল। এ অবস্থায় আমার এবং পিতামাতার ফজর হয়ে গেল। ইয়া আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন, আমি যদি তা শুধুমাত্র আপনার সন্তুষ্টি লাভের আশায় করে থাকি, তাহলে আপনি আমাদের গুহার মুখ এতোটুকু ফাঁক করে দিন, যাতে আমরা আকাশ দেখতে পারি। বর্ননাকারী বলেন, তখন একটু ফাঁকা হয়ে গেল। আরেকজন বলল, ইয়া আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন, আপনি জানেন যে, আমি আমার এক চাচাতো বোনকে এতো চরম ভালোবাসতাম, যা একজন পুরুষ নারীকে ভালোবেসে থাকে। সে বলল, তুমি আমার থেকে সে মনস্কামনা সিদ্ধ করতে পারবেনা, যতক্ষন আমাকে একশত দীনার না দেবে। আমি চেষ্টা করে তা সংগ্রহ করি। তারপর যখন আমি তার পদদ্বয়ের মাঝে উপবেশন করি, তখন সে বলল মহান আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় কর। বৈধ অধিকার ছাড়া মোহরকৃত বস্তুর সীল ভাঙবেনা। এতে আমি তাকে ছেড়ে উঠে পড়ি। ইয়া আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন, আমি যদি তা আপনারই সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে করে থাকি, তবে আমাদের থেকে পাথরখানা আরো একটু ফাঁক করে দিন। তখন তাদের থেকে (গুহার মুখের) দুই-তৃতীয়াংশ ফাঁক হয়ে গেল। অপরজন বলল, ইয়া আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন, আপনি জানেন যে, এক ফারাক১ (পরিমান) শস্য দানার বিনিময়ে আমি একজন মজুর রেখেছিলাম। আমি তাকে তা দিতে গেলে সে গ্রহন করতে অস্বীকার করল। তারপর আমি সে এক ফারাক শস্য দানা দিয়ে চাষ করে ফসল উৎপন্ন করি এবং তা দিয়ে গরু খরিদ করি ও রাখাল নিযুক্ত করি। কিছুকাল পরে সে মজুর এসে বলল, হে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের বান্দা, আমাকে আমার পাওনা দিয়ে দাও। আমি বললাম, এই গরুগুলো ও রাখাল নিয়ে যাও। সে বলল, তুমি কি আমার সাথে উপহাস করছ? আমি বললাম, আমি তোমার সাথে উপহাস করছিনা বরং এসব তোমার। ইয়া আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন, আমি যদি তা শুধুমাত্র আপনারই সন্তুষ্টির জন্যই করে থাকি, তবে আমাদের থেকে গুহার মুখ খুলে দিন। তখন তাদের থেকে গুহার মুখ খুলে গেল। ১) তিন সা’ পরিমানের মাপের পাত্র।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০৭৪

নভে. 122013
 

মাহমূদ (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে- বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে যখন তাহাজ্জুদের সালাত (নামায) আদায় করতেন তখন এ দোয়া করতেনঃ হে আল্লাহ! সব প্রশংসা একমাত্র তোমারই, তুমিই আসমান ও যমীনের নূর। তোমারই সমন্ত প্রশংসা, তুমিই আসমান ও যমীনের একমাত্র পরিচালক। তোমারই সব প্রশংসা, তুমিই আসমান ও যমীন এবং এ দু-য়ের মধ্যে বিদ্যমান সব কিছু প্রতিপালক। তুমি মহাসত্য। তোমার প্রতিশ্রুতি সত্য। তোমার বানী সত্য। তোমার সাক্ষাৎ সত্য। জান্নাত সত্য। জাহান্নাম সত্য। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গণ সত্য। কিয়ামত সত্য। হে আল্লাহ! তোমারই জন্য আনুগত্য (ইসলাম) স্বীকার করি। তোমারই প্রতি ঈমান আনি। তোমারই ওপর তাওয়াক্কুল করি এবং তোমারই দিকে রুজু করি। তোমারই উদ্দেশ্যে বিতর্ক করি। তোমার কাছেই আমি ফায়সালা চাই। সুতরাং আমার আগের ও পরের গোপনীয় ও প্রকাশ্য সর্বপ্রকার গুনাহ মাফ করে দাও। তুমিই আমার একমাত্র মাবুদ। তুমি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৯০

নভে. 122013
 

ইসমাঁঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের যখন রাতের শেষ তৃতীয়াং অবশিষ্ট থাকে তখন পৃথিবীর আসমানে অবতরণ করেন। এবং বলেনঃ আমার কাছে যে দোয়া করবে, আমি তার দোয়া গ্রহণ করব। আমার কাছে যে চাইবে, আমি তাকে দান করব। আমার কাছে যে মাগফিরাত প্রার্থনা করবে তাকে আমি মাফ করে দেব।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৮৬