নভে. 102013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) উমার (রাঃ)-এর কাছে আসার অনুমতি চাইলেন। আবূ মূসা (রাঃ) তাকে যেন কোন কাজে ব্যস্ত ভেবে চলে যাচ্ছিলেন। উমর (রাঃ) বললেনঃ আমি কি আব্দুল্লাহ ইবন কায়স-এর আওয়াজ শুনিনি? তাকে এখানে আসার অনুমতি দাও। এরপর তাকে ডেকে আনা হলে উমর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, কি জিনিস আপনাকে ফিরে যেতে বাধ্য করল? আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ আমাদেরকে এরুপই করার নির্দেশ দেয়া হত। উমর (রাঃ) বললেনঃ আপনার উক্তির সপক্ষে প্রমাণ পেশ করুন, অন্যথায় আপনার সাথে মোকাবেলা করব। এরপর আনসারদের এক মজলিসে চলে গেলেন। তারা বলে উঠল আমাদের বালকরাই এর পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। এরপর আবূ সাঈদ (রাঃ) দাড়িয়ে বললেনঃ হ্যা, আমাদেরকে এরুপ করারই নির্দেশ দেওয়া হত। এরপর উমর (রাঃ) বললেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর এমন আদেশটি আমার অজানারয়ে গেল। বাজারের বেচাকেনার ব্যস্ত আমাকে এ কথা জানা থেকে বঞ্চিত রেখেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৫১

নভে. 082013
 

আবদান (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ শ্রেষ্ঠ হল আমার যমানার লোক। তারপর উত্তম হল এদের পরবর্তী যমানার লোক তারপর উত্তম হল এদের পরবর্তী যমানার লোক, তারপর এমন সব লোকের আবির্ভাব হবে, যাদের সাক্ষ্য তাদের কসমের পূর্বেই হবে, আর তাদের কসম তাদের সাক্ষ্যের পূর্বেই হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৮৬

নভে. 082013
 

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ইমরান ইবন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে আমার যমানার লোকেরাই সর্বোত্তম। তারপর এর পরবর্তী যমানার লোকেরা। তারপর এদের পরবর্তী যমানার লোকেরা। ইমরান (রাঃ) বর্ণনা করেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথাটি দুবার কি তিনবার বললেনঃ তা আমার স্বরণ নেই- তারপর এমন লোকদের আবির্ভাব হবে যে, তারা সাক্ষ্য দিবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। তারা খিয়ানতকারী হবে। তাদের আমানতদার মনে করা হবে না। তারা মানত মানবে তা পূরণ করবে না। তাদের দৈহিক হিস্টপুস্টতা প্রকাশিত হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৮৫

অক্টো. 312013
 

ইসহাক ইবন মনসুর (রহঃ) ও আমর (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ কবীরা গুনাহ সমুহের মধ্যে সবচাইতে বড় গুনাহ হচ্ছে আল্লাহর সাথে শরীক করা, প্রান সংহার করা, পিতা-মাতার অবাধ্য- হওয়া আর মিথ্যা বলা, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রক্তপন হাদিস নাম্বারঃ ৬৪০৫

অক্টো. 292013
 

মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, হিলাল ইবন ইমাইয়া নাবী (সাঃ) এর কাছে তার স্ত্রী বিরুদ্ধে শারীক ইবন সাহমা এর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ করলে নাবী (সাঃ) বললেন, হয় তুমি প্রমাণ (সাক্ষী) পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে (বেত্রাঘাতের) দন্ড আপতিত হবে। সে বলল, ইয়া রাসূল (সাঃ) আমাদের কেউ কি আপন স্ত্রী উপর অপর কোন পুরুষকে দেখে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ছুটে যাবে? কিন্তু নাবী (সাঃ) একই কথা (বার বার) বলতে থাকলেন, হয় প্রমাণ পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে বেত্রাঘাতের দন্ড আপতিত হবে। তারপর তিনি লি’আন সংক্রান্ত হাদীস বর্ণনা করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৯৩

অক্টো. 292013
 

ইবন আবূ মারয়াম (রাঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নদী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহিলাদের সাক্ষ্য কি পুরুষদের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তারা (উপস্থিত মহিলারা) বলল, তাতো অবশ্যই অর্ধেক। তিনি বলেন, এটা মহিলার জ্ঞানের ত্র“টির কারনের।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৮২

অক্টো. 292013
 

মুসাদ্দদ (রঃ) আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) একদিন তিনবার বললেন, ইয়া রাসূল (সাঃ)! অবশ্য বলুন। তিনি বললেন, (সে গুলো হচ্ছে) আল্লাহর সাথে শিরক করা এবং পিতামাতার অবাধ্য হওয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসেছিলেন; এবার সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন, শুনে রাখো, মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া, এ কথাটি তিনি বার বার বলতে থাকলেন। এমনকি আমরা বলতে লাগলাম, আর যদি তিনি না বলতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৭৮

অক্টো. 292013
 

মুহাম্মদ ইবন কাছীর (রঃ) আবদুল্লাহ (ইবন মাস’উদ) (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার যুগের লোকেরাই হচ্ছে সর্বোত্তম লোক, এরপর যারা তাদের নিকটবর্তী, এরপর যারা তাদের নিকটবর্তী যুগের। এরপরে এমন সব লোক আসবে যারা কসম করার আগেই সাক্ষ্য দিবে, আবার সাক্ষ্য দেওয়ার আগে কসম করে বসবে। ইবরাহীম (নাখ্ঈ) (রঃ) বলেন, আমাদেরকে সাক্ষ্য দিলে ও অংগীকার করলে মারতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৭৬

অক্টো. 292013
 

আদম (রঃ) ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন, আমার যুগের লোকেরাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। তারপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা, এরপর নিকটবর্তী যুগের লোকেরা। ইমরান (রাঃ) বলেন, আমি বলতে পারছি না, নাবী (সাঃ) (তার যুগের) পরে দুই যুগের কথা বলছিলেন, না তিন যুগের কথা। নাবী (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের পর এমন লোকদের আগমন ঘটবে, যারা খিয়ানত করবে, আমানতদারী রক্ষা করবে না। সাক্ষ্য দিতে না ডাকলেও তারা সাক্ষ্য দিবে। তারা মান্নত করবে কিন্তু তা পূর্ণ করবে, না। তাদের মধ্যে মেদ বৃদ্ধি পাবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৭৫

অক্টো. 292013
 

আবদান (রঃ) নু’মান ইবন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার মাতা আমার পিতাকে তার মালের কিছু অংশ আমাকে দান করতে বললেন। পরে তাকে দেওয়া ভালো মনে করলে আমাকে তা দান করেন। তিনি (আমার মাতা) তখন বললেন, নাবী (সাঃ) কে সাক্ষী করা ছাড়া আমি রাযা নই। এরপর তিনি (আমার পিতা) আমার হাত ধরে আমাকে নাবী (সাঃ) এর নিকট নিয়ে গেলেন, আমি তখন বালক মাত্র। তিনি বললেন, এর মা বিনত রাওয়াহা এ কে কিছু দান করা জন্য আমার কাছে আবদার জানিয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, সে ছাড়া তোমার আর কোন ছেলে আছে? তিনি বললেন হ্যা, আছে। নু’মান (রাঃ) বলেন, আমার মনে পড়ে, তিনি বলেছিলেন, আমাকে অন্যায় কাজে সাক্ষী করবেন না। আর আবূ হারীয (রঃ) ইমাম শাবী (রঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন, আমি অন্যায় কাজে সাক্ষী হতে পারি না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৭৪