নভে. 112013
 

আদম (রহঃ)……… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: তোমরা মৃতদের গালমন্দ কর না। কেননা, তারা আপন কৃতকর্মের ফলাফল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। (ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন) আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল কুদ্দুস ও মুহাম্মাদ ইবন আনাস (রহঃ), আমাশ (রহঃ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আলী ইবন জা’দ, ইবন আর’আরা ও ইবন আবূ আদী (রহঃ), শু’বা (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় আদম (রহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১৩১১

নভে. 082013
 

আলী ইবন জা’দ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মৃত ব্যাক্তিদেরকে গালি দিও না। কারণ তারা তাদের কৃতকর্মের পরিণাম ফল পর্যন্ত পৌছে গিয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৭২

নভে. 062013
 

ইয়াহইয়া ইবন বুকায়র (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ বলেনঃ মানুষ যামানাকে গালি দেয়, অথচ আমিই যামানা, (এর নিয়স্ত্রণের মালিক)। একমাত্র আমারই হাতে রাত ও দিনের পরিবর্তন হয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৪৮

নভে. 052013
 

মুহাম্মদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার হাসসান ইবন সাবিত (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর নিকট মুশরিকদের নিন্দা করার অনুমতি চাইলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ তা হলে এ নিন্দা থেকে আমার বংশ মর্যাদা কিভাবে বাচাবে? তখন হাসসান (রাঃ) বললেনঃ আমি তাদের থেকে আপনাকে এমনভাবে বের করে দেয়, যেভাবে মাখানো আটা থেকে চুল বের করে আনা হয়। রাবী উরওয়া বর্ননা করেন একদিন আমি আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে হাসসান (রাঃ)-কে গালি দিতে শুরু করলাম তখন তিনি বললেনঃ তুমি তাকে গালমন্দ করো না। কারণ, তিনি নাবী (সাঃ) এর তরফ থেকে মুশরিকদের প্রতিরোধ করতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭১৯

নভে. 052013
 

উসমান ইবন আবূ শায়বা (রহঃ) সুলায়মান ইবন সুরদ (রাঃ) থেকে বর্নিত। একবার নাবী (সাঃ) এর সামনে দু-ব্যাক্তি পাগলামী করছিল। আমরাও তার কাছেই বসাছিলাম, তাদের একজন অপর জনকে এত রাগান্বিত হয়ে গালী দিচ্ছিল যে তার চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল। তখন নাবী (সাঃ) বললেনঃ আমি একটি কালেমা জানি, যদি এ লোকটি তা পড়তো, তা হলে তার ক্রোধ চলে যেত। অর্থাৎ যদি লোকটি “আউযূ বিল্লাহি মিনাষশাইতানির রাজীম” পড়তো। তখন লোকেরা সে ব্যাক্তিকে বলল নাবী (সাঃ) কি বলেছেন, তা কি তুমি শুনছো না? সে বললো:-আমি নিশ্চয়ই পাগল নই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৮৫

অক্টো. 132013
 

কাবীসা ইবন উকবা (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেনঃ চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকে সে হবে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়।
১ আমানত রাখা হলে খেয়ানত করে;
২ কথা বললে মিথ্যা বলে;
৩ চুক্তি করলে ভঙ্গ করে; এবং
৪ বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীল গালি দেয়।
শু’বা আ’মাশ (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় সুফিয়ান (রহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৩৩

অক্টো. 132013
 

মুহাম্মদ ইবন ‘আর ‘আরা (রহঃ) যুবায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আবূ ওয়াইল (রহঃ)-কে মুরজিআ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ্ (ইবন মাস’উদ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেনঃ মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসিকী এবং তার সাথে লড়াই করা কুফরী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৪৭