ডিসে. 312013
 

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুত্রে কয়েকটি হাদীস বর্ননা করেছেন। (তন্মধ্যে একটিতে তিনি বলেন) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কারোর উযূ ভেঙ্গে গেলে তার সালাত (নামায) কবুল হয় না উযূ করার পূর্ব পর্যন্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন            গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম         অধ্যায়ঃ ২/ তাহারাত (পবিত্রতা)              হাদিস নাম্বারঃ ৪২৯
হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
নভে. 162013
 

আবদুল আযীয ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) আমর ইবনু উমায়্যা যামরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে (বকরীর) বাহু থেকে কেটে কেটে খেতে দেখেছি। তারপর তাঁকে সালাত (নামায)-এর জন্য ডাকা হলে তিনি সালাত (নামায) আদায় করলেন; কিন্তু তিনি উযূ করেন নি। আবূল ইয়ামান (রহঃ) শুয়াইব সূত্রে যুহরী (রহঃ) থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছুরি রেখে দিলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭২২

নভে. 162013
 

মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) মুগীরা ইবনু শু‘বা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন (প্রাকৃতিক) হাজত পূরণের জন্য গেলেন। সেখান থেকে ফিরে এলে আমি তাঁর কাছে পানি নিয়ে গেলাম। তিনি তা দিয়ে উযূ করেন। তাঁর পরিধানে ছিল শামী (সিরিয়া) জোব্বা। তিনি কুলি করেন, নাকে পানি দেন ও মুখমন্ডল ধৌত করেন। এরপর তিনি জামার আস্তিন গুটিয়ে দু’টি হাত বের করতে চাইলেন। কিন্তু আস্তিন দু’টি ছিল খুবই আটসাঁট। তাই তিনি ভেতর দিক দিয়ে হাত বের করে উভয় হাত ধুলেন এবং মাথা মাসেহ করলেন এবং উভয় মোজার উপর মাসেহ করলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭১৭

নভে. 152013
 

‘আবদান (রহঃ) হুমরান (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘উসমান (রাঃ) -কে উযূ করতে দেখেছি। তিনি তিনবার হাতের উপর পানি ঢাললেন। এরপর তিনি কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন। তারপর তিনবার চেহারা (মুখমন্ডল) ধুইলেন। এরপর ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুইলেন এবং বামহাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুইলেন। এরপর তিনি মাথা মাসেহ করলেন। তারপর ডান পা তিনবার ধুইলেন তারপর বাম পা তিনবার ধুইলেন। এরপর বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে উযূ করতে দেখেছি আমার এ উযূর মতই। এরপর তিনি বলেছেন, যে ব্যাক্তি আমার এ উযূর মত উযূ করে দু’রাক’আত সালাত (নামায) আদায় করবে এবং মনে মনে কোন কিছুর চিন্তা -ভাবনায় লিপ্ত হবে না , তার অতীতের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮১০

নভে. 012013
 

মুহাম্মদ ইবন আর-আরা (রহঃ) আওনের পিতা (ওহর ইবন আব্দুল্লাহ) (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ) -এর কাছে এলাম। তখন তিনি একটি লাল চামড়ার তাঁবুতে ছিলেন। আর বিলালকে দেখলাম তিনি নাবী (সাঃ) এর উজূর পানি উঠিয়ে দিচ্ছেন এবং লোকজন উযূর পানি নেয়ার জন্য ছুটাছুটি করছে। যে ওখান থেকে কিছু পায়, সে তা মুখে মেখে নেয়। আর যে সেখান থেকে কিছু পায় না, সে তার সাথীর ভিজা হাত থেকে কিছু নিয়ে নেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৪৪১

নভে. 012013
 

আবূ নূঁআইম (রহঃ) মুগীরা ইবন শুবা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমি (তাবুক) সফরে এক রাত্রে নাবী (সাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার সাথে পানি আছে কি? আমি বললাম: হ্যা। তখন তিনি বাহন থেকে নামলেন এবং হেঁটে যেতে লাগলেন। তিনি এতদূর গেলেন যে, রাতের আধারে আমার থেকে অদৃশ্য হবে পড়লেন। তারপর তিনি ফিরে এলেন। আমি পাত্র থেকে তার (উযূর) পানি ঢালতে লাগলাম। তিনি মুখমণ্ডল ও দু-হাত ধৌত করলেন। তার পরিধানে ছিল পশমের জামা। তিনি তা থেকে হাত বের করতে পারলেন না- তাই জামার নীচ দিয়ে বের করলেন এবং দু-হাত ধৌত করলেন। তারপর মাথা মাসেহ করলেন। তারপর আমি তাঁর মোজা দুটি খুলতে ইচ্ছা করলাম। তিনি বললেনঃ ছেড়ে দাও। কেননা, আমি পবিত্র অবস্হায় তা পরিধান করেছি। তারপর তিনি মোজাদ্বয়ের উপর মাসেহ করেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৮৪

নভে. 012013
 

কায়স ইবন হাফস (রহঃ) মুগীরা ইবন শুবা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন (তাকুক যুদ্ধের সময়) নাবী (সাঃ) প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে যান এবং তারপর ফিরে আসেন। আমি তার নিকট পানি নিয়ে পৌছি। তিনি উজূ করেন। তখন তার পরিধানে শাম দেশীয় (সিরিয়ার) জোব্বা ছিল। তিনি কুলী করেন, নাক পরিষ্কার করেন এবং তার মুখমন্ডল ধৌত করেন। এরপর তিনি আস্তিন থেকে দু হাত বের করতে থাকেন, কিন্তু আস্তিন দুটি ছিল সংকীর্ণ, তাই তিনি হাত দু-খানি জামার নীচ দিয়ে বের করে উভয় হাত ধৌত করেন। এরপর মাথা মাসেহ করেন এবং মোজার উপর মাসেহ করেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৮৩

অক্টো. 242013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ) -এর সংগে ছিলাম এ সময় আসরের সময় হয়ে গেল। অথচ আমাদের সংগে বেচে যাওয়া সামান্য পানি ব্যতীত কিছুই ছিল না। তখন সেটুকু একটি পাত্রে রেখে পাত্রটি নাবী (সাঃ) -এর সামনে পেশ করা হল। তিনি পাত্রটির মধ্যে নিজের হাত ঢ়ুকিয়ে দিলেন এবং আঙ্গুল ছড়িয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এস যাদের উজূ প্রয়োজন আছে। বরকত তো আসে আল্লাহর কাছ থেকে। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন আমি দেখলাম, নাবী (সাঃ) এর আঙ্গুলগুলোর ফাক থেকে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। লোকজন উজূ করল এবং পানি পান করল। আমিও আমার উদরে যতটুকু সম্ভব ছিল ততটুকু পান করতে ক্রটি করলাম না। কেননা আমরা জানতাম এটি বরকতের পানি। রাবী বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে বললাম সে দিন আপনারা কত লোক ছিলেন? তিনি বললেনঃ এক হাজার চারশ- জন। জাবির (রাঃ)-এর সুত্রে আমর অনুরুপ বর্ণনা করেছেন। সালিম, জাবির (রাঃ) সুত্রের মাধ্যমে হুসাইন ও আমর ইবন মুররা চৌদ্দশ স্থানে পনেরশোর কথা বলেছেন। সাঈদ ইবন মুসা য়্যাব জাবির (রাঃ) থেকে অনুরুপ বর্ননা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২৩৭

অক্টো. 242013
 

আদাম (রহঃ) নাযযাল ইবন সাবরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আলী ইবন আবূ তালিব (রাঃ)-এর সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন ষে, তিনি যোহরের সালাত (নামায) আদায় করেন। এরপর তিনি মানুষের নানাবিধ প্রয়োজনীয় কাজে কুফা মসজিদের চত্বরে বসে পড়লেন। অবশেষে আসরের সালাত (নামায) আদায়ের সময় হয়ে গেল। তখন পানি আনা হল। তিনি পানি পান করলেন এবং নিজের মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধৌত করলেন। বর্ননাকারী আদাম এখানে তাঁর মাথার কথাও উল্লেখ করেন এবং ধৌত করার কথাও উল্লেখ করেন। এরপর আলী (রাঃ) দাড়ালেন এবং তিনি দাঁড়ান অবস্থায় উজূর উদ্বৃত্ত পানি পান করে নিলেন। এরপর তিনি বললেনঃ লোকজন দণ্ডায়মান অবস্থায় পান করাকে মাকরুহ মনে করে, অথচ আমি যেমন করেছি নাবী (সাঃ) ও তেমন করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২১৪

অক্টো. 232013
 

ইয়াহ্ইয়া ইবন বুকায়র (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (সাঃ) যখন জানবাতের অবস্থায় ঘুমাতে ইচ্ছা করতেন তখন তিনি লজ্জাস্থান ধুয়ে সালাত (নামায)-এর উযূর মত উযূ করতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ গোসল হাদিস নাম্বারঃ ২৮৫