অক্টো. 292013
 

আবূল ইয়ামন (রঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) ও উবাই ইবন কাআব আনসারী (রাঃ) সেই খেজুর বাগানের উদ্দেশ্যে রওয়ান হলেন, যেখানে ইবন সাইয়াদ থাকত। রাসূল (সাঃ) যখন (বাগানে) প্রবেশ করলেন, তখন তিনি সতর্কতার সাথে খেজুর শাখার আড়ালে আড়ালে চললেন। তিনি চাচ্ছিলেন, ইবন সাইয়াদ তাকে দেখে ফেলার আগেই তিনি তার কোন কথা শুনে নিবেন। ইবন সাইয়াদ তখন চাদর মুড়ি দিয়ে বিছানায় শায়িত ছিলো। আর গুন গুন বা (রাবী বলেছেন) গুমগুমভাবে কিছু বলছিল। এ সময় ইবন সাইয়াদের মা নাবী (সাঃ) কে খেজুর শাখার আড়ালে আড়ালে সতর্কতার সাথে আসতে দেখে ইবন সাইয়াদকে বলল, সে সাফ! (নামের সংক্ষেপ) এই মুহাম্মদ! তখন ইবন সাইয়াদ চুপ হয়ে গেল। রাসূল (সাঃ) বললেন, সে (তার মা) যদি (কিছু না বলে) তাকে নিজের অবস্থায় ছেড়ে দিতে, তাহলে (তার প্রকৃত অবস্থা আমাদের সামনে) প্রকাশ পেয়ে যেত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৬২

অক্টো. 212013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) আমর ইবন শারীফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূ রাফি (রাঃ) একটি ঘর ক্রয় করার নিমিত্ত সা’দ ইবন মালিক (রাঃ)- এর সাথে চারশ মিছকাল মূল্য ঠিক করেন। আর বলেন, যদি আমি রাসূল (সাঃ) কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশী তার সংলগ্ন ভূমির ক্রয়ের ক্ষেত্রে সবচে বেশী হকদার, তাহলে তোমাকে আমি প্রদান করতাম না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫১০

অক্টো. 212013
 

আবূ নু’আযম (রহঃ) আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ প্রতিবেশী তার সংলগ্ন ভূমির ব্যাপারে সর্বাধিক হকদার। কেউ কেউ বলেন, কেউ যদি কোন একটি বাড়ী বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করে, ঐ বিশ হাজার দিরহাম পরিশোধ করার সময় এ কৌশল গ্রহণ করাতে কোন দোস নেই যে, ক্রেতা বিক্রেতাকে ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও বিশ হাজারের বাকী দিরহামের পরিবর্তে এক দ্বীনার নগদ প্রদান করবে। এখন যদি শুফ্আর অধিকারী শুফ্আর দাবি করে, তাহলে এই বাড়ী বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে নিতে হবে। এছাড়া তার এ বাড়ী পাওয়ার আর কোন পন্থা নেই। আর যিদ এ বাড়ীর কোন মালিক বের হয়ে যায়, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে দেয়া দামই ফেরত দেবে। আর তা হল ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও এক দ্বীনার। কেননা, যখন বিক্রিত বস্তুর মূল মালিক বের হয়ে গেছে তখন দ্বীনারের “রায়এ- সারফ” বাতিল হয়ে গেছে। আর যদি ক্রেতা বাড়ীতে কোন দোষ পায়, তার কোন মালিক বের না হয়, তাহলে ক্রেতা বাড়ী ফেরত দেবে ও বিক্রেতা ক্রেতাকে বিশ হাজার দিরহাম দেবে। আবূ আবদুল্লাহ্(ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেনঃ মূলত এরূপ করা মুসলমানদের মধ্যে ধোকাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার নামান্তর। রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলমানদের ক্রয়-বিক্রয়ের কোন ………, অপবিত্রতা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০৯

অক্টো. 212013
 

উবায়াদ ইবন ইস্মাঈল (রহঃ) আবূ হমায়দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) লুতাবিয়্যা নামে এক ব্যাক্তিকে বণী সুলায়ম গোত্রের যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করলেন। যখন সে ফিরে এলো তখন তিনি তার কাছ থেকে হিসাব-নিকাশ গ্রহণ করলেন। সে বলল, এগুলো আপনাদের মাল, আর এগুলো (আমাকে দেয়া) উপঢৌকন। তখন রাসূল (সাঃ) বললেনঃ যদি তুমি সত্যবাদী হয়ে থাক তাহলে তোমার মা-বাবার ঘরে বসে থাকলে না কেন? সেখানেই তোমার কাছে উপঢৌকন এসে যেত। এরপর তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করার পর তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের কাউকে এমন কোন কাজে নিয়োগ করি, যার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে আল্লাহ্আমাকে মনোনীত করেছেন। কিন্তু সে কাজ সম্পাদন করে এসে বলে, এ হল তোমাদের মাল। আর এ হল আমাকে দেয়া উপঢৌকন। তাহলে সে কোন তার মা-বাবার ঘরেই বসে রইল না, সেখানে এমনিতেই তার কাছে তার উপঢৌকন এসে যেত? আল্লাহর কসম! তোমরা যে কেউ অবৈধভাবে কোন কিছু গ্রহণ করবে, সে কিয়ামতের দিন তা বয়ে নিয়ে আল্লাহর সামনে হাযির হবে। আমি তোমাদের কাউকে ভালভাবেই চনব যে, সে আল্লাহর কাছে হাজির হবে উট বহন করে, আর উট আওয়াজ দিতে থাকবে। অথবা গাভী বহন করে, আর সেটা ডাকতে থাকবে। অথবা বকরি বহন করে, আর সেটা ডাকতে থাকবে। এরপর তিনি আপন হাতে দু’টি এতদূরে উত্তোলন করলেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যাচ্ছিল। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? আমার চক্ষুযুগল সে অবস্থা অবলোকন করেছে এবং আমার কান শুনেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০৮

অক্টো. 212013
 

মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, সা’দ (রাঃ) তার কাছ থেকে চারশ মিছকালের বিনিময়ে একটি ঘর ক্রয় করার জন্য দর করেন। তখন তিনি বলেন, যদি আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে না শুনতাম যে, “প্রতিবেশী তার সংলগ্ন ভূমি ক্রয়ের ব্যাপারে সবচে বেশী হকদার” তাহলে তোমাকে আমি দিতাম না। কেউ কেউ বলেন, যদি কেউ বাড়ীর কোন অংশ ক্রয় করে এবং শুফ্আর অধিকার বাতিল করে দিতে চায়, তাহলে তার ছোট ছেলেকে তা দান করে দেবে। আর যখন তার ওপর কোন কসময় আসবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০৭

অক্টো. 212013
 

আলী ইবন আবদুল্লাহ্(রহঃ) আমর ইবন শারীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিসওয়ার ইবন মাখারামা (রাঃ) এসে তাঁর হাত আমার কাঁধে রাখলেন। তারপর আমি তাঁর সাথে সা’দ (রাঃ) এর কাছে গেলাম। তখন আবূ রাফি (রাঃ) মিসওয়ার (রাঃ) কে বললেন, আপনি কি ওকে এ কথা বলছেন যে, সে আমার ঐ ঘরটি ক্রয় করে নেবে, যে ঘরটি তাঁর বাড়ীতে রয়েছে। সা’দ (রাঃ) বললেন, আমি চারশ থেকে বেশী দেব না। তাও আবার কিস্তিতে কিস্তিতে দেব। আবূ রাফি (রাঃ) বললেন, আমাকে নগদ পাঁচশত দেয়া হচ্ছে, অথচ আমি তাকে দিচ্ছি না। আমি যদি রাসূল (সাঃ) কে বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশী তার সংলগ্ন ভূমি ক্রয়ের ব্যাপারে সবচে বেশী হক্দার, তাহলে আমি তা তোমার কাছে বিক্রি করতাম না। অথবা বলেছেন, তোমাকে আমি তা দিতাম না। আমি সুফয়ান (রহঃ) কে বললাম যে, মা’মার তো এমনটি বলেননি। তিনি বললেন, কিন্তু তিনি আমাকে এমনটি বলেছেন। কিছু সংখ্যক লোক বলেন, কেউ যদি কোন ভূমি বিক্রি করে, তাহলে কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করে শুফ্আর অধিকার বাতির করে দিতে পারে। যেমন বিক্রেতা ক্রেতাকে বাড়িটি দান করে দেবে এবং তার সীমানা বর্ণনা করে ক্রেতার কাছে সোপর্দ করে দেবে। এরপর ক্রেতা বিক্রেতাকে এক হাজার দিরহাম দিয়ে দেবে। এমতাবস্থায়, শাফী’র জন্য তাতে শুফ্আর অধিকার থাকবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০৬

অক্টো. 212013
 

আবূল ইয়ামন (রহঃ) উসামা ইবন যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি সা’দ (রাঃ) কে বলেন। একদিন রাসূল (সাঃ) মহামারী প্রসঙ্গে আলোচনাকালে বললেন, এ একটি শাস্তি, কতক জাতিকে এ দ্বারা শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তারপর এর কিছু অংশ বাকী রয়ে গেছে। তাই কখনো এ চলে যায় আবার কখনো তা ফিরে আসে। যখন কেউ কোন রাকায় মহামারীর কথা শুনবে তখন যেন সে তথায় না যায়। আর যে কেউ এমন এলাকায় অবস্থান করে যেখানে এর প্রাদুর্ভাব ঘটেছে, তখন সে যেন সেখান থেকে পলায়ন করে বেরিয়ে না আসে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০৩

অক্টো. 212013
 

আবদুল্লাহ ইবন মাসলাম (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন আমির ইবন রাবী’আ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একদা উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) সিরিয়া অভিমুখে রওনা দিলেন। তিনি যখন ‘সারাগ’ নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছল যে, সিরিয়ায় প্লেগ মহমারী আকারে দেখা দিয়েছে। এ সময় আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) তাঁকে অবহিত করলেন যে, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন এলাকায় মহামারী ছড়িয়ে পড়েছে শুনতে পাবে তখন তোমরা সেখানে যেও না। আর যখন কোন এলাকায় মহামারী ছড়িয়ে পড়ে আর তোমরা সেখানে উপস্থিত থাক, তখন সেখান থেকে পলায়ন করে বেরিয়ে এসো না। এ কথা শুনে উমর (রাঃ) “সারাগ” থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন। ইবন শিহাব (রাঃ) সালিম ইবন আবদুল্লাহ্(রহঃ) থেকে বর্ণিত, উমর (রাঃ) আবদুর রহমানের হাদীসের কারণে ফিরে এসেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০২

অক্টো. 212013
 

উবায়দ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) মিষ্টান্ন ও মধু পছন্দ করতেন এবং যখন আসরের সালাত (নামায) আদায় করে নিতেন তখন তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে ঘুরে বেড়াতেন এবং তাঁদের কাছে উপস্থিত হতেন। একদা তিনি হাফসা (রাঃ) এর ঘরে প্রবেশ করলেন এবং সাধারণত যত সময় তাঁর কাছে অবস্থান করতেন এর চেয়ে অধিক সময় তাঁর কাছে অবস্থান করলেন। তাই আমি এর কারণ জিজ্ঞাসা করলাম। তখন আমাকে বলা হল যে, তার স্বগোত্রীয় এক মহিলা এক কৌটা মধু হাদিয়া পাঠিয়েছে। এ থেকে তিনি আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কে কিছু পান করিয়েছেন। আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! আমরা অবশ্যই একটা কৌশল অবলম্বন করব। এরপর আমি এ ব্যাপারে সাওদা (রাঃ) এর সাথে আলোচনা করলাম। আমি বললাম, যখন তিনি তোমার ঘরে আসবেন, তখন তিনি অবশ্যই তোমার সন্নিকটে যাবেন। এ সময় তুমি তাঁকে বলবে, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আপনি মাগাফীর খেয়েছেন? তিনি অবশ্য না-ই বলবেন। তখন তুমি বলবে, তাহলে এ দুর্গন্ধ কিসের? আর রাসূল (সাঃ) এর কাছে তাঁর থেকে দুর্গন্ধ পাওয়া যাওয়াটা খুবই গুরুতর মনে হত। তখণ তিনি বলবেনঃ হাফসা আমাকে মধুর শরবত পান করিয়েছে। তখন তুমি তাঁকে বলবে, তাহলে ঐ মধুর পোকা “উরফুত” গাছের রস আহরণ করেছে। আর আমিও একই কথা বলব। হে সাফিয়া! তুমিও তাঁকে এ কথা বলবে। যখন তিনি সাওদা (রাঃ) এর ঘরে এলেন, তখন সাওদা (রাঃ) বললেন, কসম ঐ সত্তার, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ্ নেই। যখনই তিনি দরজার কাছে এলেন তখনই আমি তোমার ভয়ে তোমার শিখানো কথাগুলো বলতে উদ্যত হলাম। এরপর তিনি যখন সন্নিকটে এলন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আপনি ‘মাগাফীর’ খেয়েছেন। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে এ দুর্গন্ধ কিসের? তিনি বললেন, হাফসা আমাকে মধুর শরবত পান করিয়েছে। আমি বললাম, তাহলে এ মধুর পোকা “উরফুত” (বৃক্ষের) রস আহরণ করেছে। আয়িশা (রাঃ) বললেন, এরপর রাসূল (সাঃ) যখন আমার ঘরে এলেন, তখন আমিও তাঁকে অনুরূপ কথা বললাম। এরপর তিনি সাফিয়া (রাঃ) এর ঘরে গেলেন, সেও তাঁকে অনুরূপ কথা বলল। পুনরায় রাসূল (সাঃ) যখন হাফসা (রাঃ) এর ঘরে প্রবেশ করলেন তখন তিনি তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আপনাকে মধু পান করতে দিব কি? তিনি বললেনঃ এর কোন প্রয়োজন নেই। আয়িশা (রাঃ) বলেন, সাওদা (রাঃ) বললঃ সুবহানাল্লাহ্! আমরা তা হারাম করে দিলাম। আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি সাওদা (রাঃ) কে বললামঃ চুপ কর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০১

অক্টো. 212013
 

আবূ আসিম (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ কুমারীর অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। আমি বললাম, কুমারী তো লজ্জাবোধ করবে। তিনি বললেনঃ তবে অনুমতি হল তার নীরবতা। কেউ কেউ বলেন, যদি কোন ইয়াতীম বাঁদী অথবা কোন কুমারী কারো পছন্দ হয়। কিন্তু সে অসম্মতি জানায়! তখন ঐ ব্যাক্তি কৌশলের আশ্রয় নিয়ে দু’জন মিথ্যা স্বাক্ষ্য এ মর্মে পেশ করে যে, সে তাকে বিয়ে করেছে এবং সে প্রাপ্ত বয়স্কা হবার পর সম্মতি জ্ঞাপন করেছে। আর বিচারকও মিথ্যা স্বাক্ষ্য কবূল করে নেন। অথচ স্বামী তা মিথ্যা হওয়ার ব্যাপারে অবগত। এ ক্ষেত্রে তার জন্য সহবাস করা বৈধ হয়ে যায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০০