নভে. 122013
 

ইবন সালাম (রহঃ) আবূ কাতাদা তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। যখন তারা সালাত (নামায) থেকে ঘুমিয়ে ছিলেন তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেনঃ আল্লাহ তাঁআলা যখন ইচ্ছা করেন তোমাদের রুহকে নিয়ে যান, আর যখন ইচ্ছা ফিরিয়ে দেন। এরপর তারা তাদের প্রয়োজন সেরে নিলেন এবং উযূ করলেন। এতে সূর্য উদিত হয়ে শ্বেতবর্ন হয়ে গেল। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠলেন সালাত (নামায) আদায় করলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৬৩

নভে. 122013
 

সাদ ইবন হাফস (রহঃ) আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাত্রিতে যখন তাঁর শয্যায় যেতেন তখন বলতেনঃ আমরা তোমারই নামে মৃত্যু বরন করছি ও জীবিত হচ্ছি (নিদ্রায় যাচ্ছি, নিদ্রা থেকে জাগ্রত হচ্ছি এবং তিনি যখন জাগ্রত হতেন তখন বলতেনঃ সমস্ত প্রশাংসা সেই আল্লাহর, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবিত করেন এবং তাঁরই কাছে আমাদের শেষ উত্থান।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৯১

নভে. 122013
 

মুসলিম (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন আপন শয্যায় যেতেন, তখন এই বলে দোয়া করতেন – হে আল্লাহ! আমি তোমারই নামে মৃত্যুবরন করি, আবার তোমারই নামে জীবিত হই। আবার ভোর হলে বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর (ঘুম) পর জীবিত করেছেন এবং তাঁরই কাছে আমাদের শেষ উত্থান।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৯০

নভে. 122013
 

আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা কেউ (ঘুমানোর উদ্দেশ্যে) সয্যায় গেলে তখন যেন সে তার কাপড়ের আচল দিয়ে তা তিনবার ঝেড়ে নেয়। আর বলে, হে আমার প্রতিপালক! একমাত্র তোমারই নামে আমার শরীরের বিছানায় রাখলাম এবং তোমারই সাহায্যে আবার তা উঠাব। তুমি যদি আমার জীবনটুকু আটকিয়ে রাখ; তাহলে তাকে মাফ করে দিবে। আর যদি তা ফিরিয়ে দাও তা হলে তোমার নিষ্ঠাবান বান্দাদেরকে যেভাবে হিফাযত কর, সেভাবে তার হিফাযত করবে। এই হাদীসেরই অনুকরণে ইয়াহইয়া ও বিশর ইবন মুকাদ্দাল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) – থেকে বর্ণনা করেছেন। যুহায়র, আবূ যামরা, ইসমাঈল ইবন যাকারিয়া (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবন আজলান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৮৯

নভে. 102013
 

কুতায়বা ইব্‌ন সাঈদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, প্রতি রাতে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শয্যা গ্রহনকালে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করে দু’হাত একত্রিত করে হাতে ফুঁক দিয়ে সমস্ত শরীরে হাত বুলাতেন। মাথা ও মুখ থেকে শুরু করে তাঁর দেহের সম্মুখভাগের উপর হাত বুলাতেন এবং তিনবার করে এরূপ করতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৪৮

নভে. 102013
 

মুহাম্মদ ইব্‌ন কাসীর (রহঃ) আবূ মাসঊদ (রাঃ) সূত্রে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে দু’টি আয়াত তিলাওয়াত করে । আবূ নু’আইম (রহঃ) আবূ মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কেউ যদি রাতে সূরা বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সেটাই তার জন্য যথেষ্ট। উসমান ইব্‌ন হায়সাম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে রমযানে প্রাপ্ত যাকাতের মাল হেফাজতের দায়িত্ব দিলেন। এ সময় জনৈক ব্যাক্তি এসে খাদ্য-দ্রব্য উঠিয়ে নিতে উদ্যত হল। আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি তোমাকে আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে নিয়ে যাব। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করে। তখন লোকটি বলল, যখন আপনি ঘুমাতে যাবেন, তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবেন। এর ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন পাহারাদার নিযুক্ত করা হবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান আপনার কাছে আসতে পারবে না। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (এ ঘটনা শুনে) বললেন, (যে তোমার কাছে এসেছিল) সে সত্য কথা বলেছে, যদিও সে বড় মিথ্যাবাদী শয়তান।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৪২

নভে. 092013
 

হাসসান ইবন আবূ আববাদ (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ রাতে যখন তোমরা ঘূমাতে যাবে, তখন বাতি নিভিয়ে দেবে, দরজা বন্ধ করবে, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে এবং মশকের মুখ বেধে বাখবে। হাম্মাম বলেনঃ এক টুকরা কাঠ দিয়ে হলেও।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৫৯

নভে. 092013
 

কুতায়বা (রহঃ) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রাখবে। আর ঘূমাবার সময় (ঘরের ) দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং বাতিগুলো নিভিয়ে ফেলবে। কারণ প্রায়ই দুষ্ট ইদূরেরা জালানো বাতির ফিতাগুলো টেনে নিয়ে যায় এবং ঘরে আগুন লাগিয়ে গৃহবাসীকে জালিয়ে দেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৫৮

নভে. 092013
 

মুহাম্মদ ইবন আ-লা (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাত্রি কালে মদিনার এক ঘরে আগুন লেগে ঘরের লোকজনসহ পূড়ে গেল। এদের অবন্হা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট জানানো হলে, তিনি বললেনঃ এ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের জন্য চরম শত্রু। সুতরাং তোমরা যখন ঘূমাতে যাবে, তখন তোমাদেরই হিফাযতের জন্য তা নিভিয়ে ফেলবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৫৭

নভে. 092013
 

আবূ নূয়ায়ম (রহঃ) সালিম (রাঃ) তার পিতা থেকে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যখন তোমরা ঘূমাবে তখন তোমাদের ঘরগুলোতে আগুন রেখে ঘূমাবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৫৬