অক্টো. 212013
 

আমর ইবন আলী (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ব্যভিচারী ব্যভিচার করে না, যখন কিনা সে মুমিন। এবং চোর চুরি করে না যখন কিনা সে মুমিন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শরীয়তের শাস্তি হাদিস নাম্বারঃ ৬৩২৫

অক্টো. 182013
 

উবায়দ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) হযরত আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তিনি আসমা (রাঃ) থেকে গলার একছাড়া হার ধার হিসাবে এনেছিলেন। এরপর তা হারিয়ে যায়। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর কয়েকজন সাহাবীকে তা খোঁজ করে বের করার জন্য পাঠালেন। এমন সময় সালাত (নামায)-এর ওয়াক হয়ে গেলে তারা বিনা উযূতে সালাত (নামায) আদায় করলেন। এরপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর খেদমতে হাযির হয়ে অভিযোগ করলেন, তখন তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হল। উসায়দ ইবন হুযায়র (রাঃ) বললেন, [হে আয়িশা (রাঃ)! আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন! কারণ যখনই আপনার ওপর কোন অসুবিধা আসে, তখনই আল্লাহ তা’আলার তরফ থেকে তা আপনার জন্য বিপদমুক্তির ও উম্মতের জন্য বরকতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিয়ে-শাদী হাদিস নাম্বারঃ ৪৭৮৬

অক্টো. 032013
 

যাকারিয়্যা ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ)’আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি এক সময়ে (তাঁর বোন) আসমা (রাঃ)-এর হার ধার করে নিয়ে গিয়েছিলেন। (পথিমধ্যে) হারখানা হারিয়ে গেল। রাসূল (সাঃ) সেটির খোঁজে লোক পাঠালেন। তিনি এমন সময় হারটি পেলেন, যখন তাদের সালাত (নামায)-এর ওয়াক্ত হয়ে গিয়েছিল অথচ তাদের কাছে পানি ছিল না। তাঁরা সালাত (নামায) আদায় করলেন। তারপর বিষয়টি তাঁরা রাসূল (সাঃ) –এর কাছে বর্ণনা করেন। তখন আল্লাহ তা’আলা তাআম্মুমের আয়াত নাযিল করেন। সেজন্য উসায়দ ইবন হুযায়র (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) –কে লক্ষ্য করে বললেনঃ আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। আল্লাহর কসম! আপনি যে কোন অপছন্দনীয় পরিস্থিথির সম্মুখীন হয়েছেন, তাতেই আল্লাহ তা’আলা আপনার ও সমস্ত মুসলমানের জন্য কল্যাণ রেখেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩২৯

অক্টো. 032013
 

‘আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) নাবী (সাঃ) –এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূল (সাঃ) –এর সঙ্গে কোন এক সফরে বেরিয়েছিলাম। যখন আমরা ‘বায়যা’ অথবা ‘যাতুল জায়শ’ নামক স্থানে পৌছালাম তখন আমার একখানা হার হারিয়ে গেল। রাসূল (সাঃ) সেখানে হারের খোঁজে থেমে গেলেন আর লকেরাও তাঁর সঙ্গে থেমে গেলেন, অথচ তাঁরা পানির নিকটে ছিলেন না। তখন লোকেরা আবূ বকর (রাঃ) এর কাছে এসে বললেনঃ ‘আয়িশা কি করেছে আপনি কি দেখেন নি? তিনি রাসূল (সাঃ) ও লোকদের আটকিয়ে ফেলেছেন, অথচ তাঁরা পানির নিকটে নেই এবং তাদের সাথেও পানি নেই। আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট আসলেন, তখন রাসূল (সাঃ) আমার উরুর উপরে মাথা রেখে ঘুমিয়েছিলেন। আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ তুমি রাসূল (সাঃ) –এর লোকদের আটকিয়ে ফেলেছো! অথচ আশেপাশে কোথাও পানি নেই। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন আবূ বকর আমাকে খুব তিরস্কার করলেন আর, আল্লাহর ইচ্ছা, তিনি যা খুশি তাই বললেন। তিনি আমার কোমরে আঘাত দিতে লাগলেন। আমার উরুর উপর রাসূল (সাঃ) এর মাথা থাকায় আমি নড়তে পারছিলাম না। রাসূল (সাঃ) ভোরে উঠলেন, কিন্তু পানি ছিল না। তখন আল্লাহ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করলেন। তারপর সবাই তায়াম্মুম করে নিলেন। উসায়দ ইবন হুযায়র (রাঃ) বলেছেনঃ হে আবূ বকরের পরিবার বর্গ! এটাই আপনাদের প্রথম বরকত নয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর আমি যে উট এ ছিলাম তাকে দাড় করালে দেখি আমার হার খানা তার নীচে পড়ে আছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩২৭