নভে. 222013
 

কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইব্‌রাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূত্রধরদের অস্ত্র দ্বারা নিজের খাত্‌না করেছিলেন এবং তখন তাঁর বয়স ছিল আশি বছর। আব্দুর রহমান ইবনু ইসহাক (রহঃ) আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় মুগীরা ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ) এর অনুসরন করেছেন। আজলান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে হাদিস বর্ণনায় আরজ (রহঃ) এর অনুসরন করেছেন। আর মুহাম্মদ ইবনু আমর (রহঃ) আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১১৯

অক্টো. 282013
 

ইবরাহীম ইবনুল মুনযির (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক সময় আমি (হাশরের ময়দানে) দাড়িয়ে থাকব। হঠাৎ দেখতে পাব একটি দল এবং আমি যখন তাদেরকে চিনে ফেলব, একটি লোক বেরিয়ে আসবে। তখন আমার ও তাদের মাঝ থেকে এবং সে বলবে, আপনি আসুন। আমি বলব, কোথায়? সে বলবে, আল্লাহর কসম জাহান্নামের দিকে। আমি বলব, তাদের অবস্হা কি? সে বলবে নিশ্চয় এরা আপনার ইন্তেকালের পর দ্বীন থেকে পশ্চাদ দিকে সরে গিয়েছিল। এরপর হঠাৎ আরেকটি দল দেখতে পাব। আমি তাদেরকে চিনে ফেলব। তখন আমার ও তাদের মাঝ থেকে একটি লোক বেরিয়ে আসবে। সে বলবে, আসুন! আমি বলবঃ কোথায়? সে বলবে আল্লাহর কসম, জাহান্নামের দিকে। আমি বলব, তাদের অবস্হা কি? সে বলবে, নিশ্চয়ই এরা আপনার ইন্তেকালের পর দ্বীন থেকে পশ্চাদপানে ফিরে গিয়েছিল। আমি মনে করি এরা রাখাল ছাড়া উটের মতো কম পরিমাণে নাজাত পাবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৩৬

অক্টো. 072013
 

আবদুল্লাহ্ বিন আমর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআবিয়াহ ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে বলেন, তোমাদের আলিমগণ কোথায়, তোমাদের আলিমগণ কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি: ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা লোকেদের উপর বিজয়ী থাকবে। তারা তাদের লাঞ্ছিত করতে উদ্যত বা সাহায্য করতে আগ্রহী কারো পরোয়া করবে না।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: বুখারী ৭১, ৩১১৬, ৩৬৪১, ৭৪৬০; মুসলিম ১০৩৭, আহমাদ ১৬৪০০, ১৬৪৩৮, ১৬৪৬৭, ২৭৫৮০। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১১৬৫, ১৯৫৮, ১৯৭১।

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ৯

অক্টো. 072013
 

আবূ হুরায়রা হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা আল্লাহ্‌র নির্দেশের উপর স্থির থাকবে। তাদের বিরোধীরা তাদের ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: আহমাদ ৮০৭৫, ৮২৭৯, ৮৭১১। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১৯৬২ ফাযায়িলিশ শাম ৬

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ৭

অক্টো. 072013
 

কুররাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমার উম্মাতের একটি দল অব্যাহতভাবে ক্বিয়ামাত পর্যন্ত সাহায্যপ্রাপ্ত হতে থাকবে এবং যারা তাদের অপদস্থ করতে চায় তারা তাদের কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: তিরমিযী ২১৯২, আহমাদ ১৫১৬৯, ১৯৮৫৪। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহা ১/৩/১৩৫

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ৬

অক্টো. 072013
 

আবূ দারদা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বের হয়ে আসেন, তখন আমরা দারিদ্র্য সম্পর্কে আলাপরত ছিলাম এবং আমরা সে বিষয়ে শংকিত ছিলাম। তিনি বলেন: তোমরা দারিদ্র্যকে ভয় করছো? সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যই তোমাদের উপর পৃথিবী প্রবল বেগে প্রবাহিত হবে (প্রভাব বিস্তার করবে), এমনকি পৃথিবী তোমাদের অন্তর কেবল তার দিকেই আকৃষ্ট করে ফেলবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি তোমাদেরকে পরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছেড়ে গেলাম, যার রাত-দিন ঔজ্জ্বল্যে সমান। আবূ দারদা বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যই বলেছেন। আল্লাহ্‌র শপথ! তিনি আমাদের পরিচ্ছন্ন অবস্থায়ই ছেড়ে গেছেন, যার রাত ও দিন ঔজ্জ্বল্যে সমান।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: নেই। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান। তাখরীজ আলবানী:

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ৫

অক্টো. 072013
 

ইবনু উমার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কোন হাদীস শুনলে, তাতে তিনি নিজের পক্ষ থেকে কম-বেশি করতেন না।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: আহমাদ ৫৫২১, দারিমী ৩১৮। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী:

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ৪

অক্টো. 072013
 

আবূ হুরায়রা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যাক্তি আমার আনুগত্য করে সে আল্লাহ্‌রই আনুগত্য করে এবং যে ব্যাক্তি আমার অবাধ্যাচরণ করে সে আল্লাহ্‌রই অবাধ্যাচরণ করে।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: বুখারী ২৯৫৭, মুসলিম ১৮৩৫, নাসায়ী ৪১৯৩, ৫৫১০, আহমাদ ৭৩৮৬, ৭৬০০, ২৭৩৫০, ৮৩০০, ৮৭৮৮, ৯১২১, ৯৭৩৯, ১০২৫৯। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াউল গালীল ৩৯৪।

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ৩

অক্টো. 072013
 

আবূ হুরায়রা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি যে সম্পর্কে তোমাদের বলিনি, সে সম্পর্কে তোমরা আমাকে জিজ্ঞেস করো না। কারণ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ তাদের নাবীগণের নিকট অধিক প্রশ্নের কারণে এবং তাদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে ধ্বংস হয়েছে। অতএব আমি তোমাদেরকে কোন বিষয়ের নির্দেশ দিলে তোমরা তা যথাসাধ্য পালন করো এবং কোন বিষয়ে আমি তোমাদের নিষেধ করলে তা থেকে তোমরা বিরত থাকো।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: বুখারী ৭২৮৮, মুসলিম ১৩৩৭, তিরমিযী ২৬৭৯, আহমাদ ৭৩২০, ৭৪৪৯, ৮৪৫০, ৯২২৯, ৯৪৮৮, ৯৫৭৭, ২৭২৫৮, ৯৮৯০, ২৭৩১২, ১০২২৯, মাজাহ ১। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী:

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ২

অক্টো. 072013
 

আবূ হুরায়রা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি তোমাদেরকে যা আদেশ দেই, তোমরা তা গ্রহণ করো এবং যে বিষয়ে তোমাদেরকে নিষেধ করি তা থেকে বিরত থাকো।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: বুখারী ৭২৮৮, মুসলিম ১৩৩৭, তিরমিযী ২৬৭৯, আহমাদ ৭৩২০, ৭৪৪৯, ৮৪৫০, ৯২২৯, ৯৪৮৮, ৯৫৭৭, ২৭২৫৮, ৯৮৯০, ২৭৩১২, ১০২২৯, ইবনু মাজাহ ২। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াউল গালীল ১৫৫, ৩১৪; সহীহাহ ৮৫০।

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ১