নভে. 012013
 

ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একবার কোন এক সফরে) আসমার একটি হার (আমার নিকট থেকে) হারিয়ে যায়। নাবী (সাঃ) কয়েকজন পূরুষ লোককে তার সন্ধানে পাঠান। এমন সময় সালাত (নামায)-এর সময় উপস্থিত হল। তাদের কারও উজূ ছিল না এবং তারা পানিও পেল না। সুতরাং বিনা উজূতেই তাঁরা সালাত (নামায) আদায় করে নিলেন। (ফিরে এসে) তারা নাবী (সাঃ) -এর নিকট এ বিষয়টির উল্লেখ করলেন। তখন আল্লাহর তা আলা তাইয়াম্মুমের আয়াত নাযিল করেন। ইবন নুমায়র হিশামের সূত্রে এ কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, ঐ হার আয়িশা (রাঃ) -আসমা (রাঃ) থেকে হাওলাত নিয়েছিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৪৬২

অক্টো. 272013
 

ইসমাঈল (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আবূ বকর (রাঃ) এলেন। এ সময় রাসুলুল্লাহ (সাঃ) স্বীয় মাথা মূবারক আমার উরূর ওপর রেখে আছেন। তখন তিনি বললেনঃ তুমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ও লোকদেরকে আটকে রেখেছ, এদিকে তাদের পানির কোন ব্যবস্হা নেই। তিনি আমাকে তিরষ্কার করলেন ও স্বীয় হাত দিয়ে আমার কোমরে আঘাত করতে লাগলেন। আর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর অবস্হানই আমাকে নড়াচড়া থেকে বিরত রাখছিল। তখন আল্লাহ তাআলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কাফের ও ধর্মত্যাগী হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৮০

অক্টো. 182013
 

উবায়দ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) হযরত আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তিনি আসমা (রাঃ) থেকে গলার একছাড়া হার ধার হিসাবে এনেছিলেন। এরপর তা হারিয়ে যায়। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর কয়েকজন সাহাবীকে তা খোঁজ করে বের করার জন্য পাঠালেন। এমন সময় সালাত (নামায)-এর ওয়াক হয়ে গেলে তারা বিনা উযূতে সালাত (নামায) আদায় করলেন। এরপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর খেদমতে হাযির হয়ে অভিযোগ করলেন, তখন তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হল। উসায়দ ইবন হুযায়র (রাঃ) বললেন, [হে আয়িশা (রাঃ)! আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন! কারণ যখনই আপনার ওপর কোন অসুবিধা আসে, তখনই আল্লাহ তা’আলার তরফ থেকে তা আপনার জন্য বিপদমুক্তির ও উম্মতের জন্য বরকতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিয়ে-শাদী হাদিস নাম্বারঃ ৪৭৮৬

অক্টো. 162013
 

আবদান (রহঃ) আবূ রাজা’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘ইমরান ইবন হুসায়ন আল-খুযা’ঈ (রাঃ) বলেছেন যে। রাসূল (সাঃ) এক ব্যাক্তিকে জামা’আতের সালাত (নামায) আদায় না করে পৃথক দাড়িয়ে থাকতে দেখলেন। তিনি লোকটিকে ডেকে বললেনঃ হে অমুক! তুমি জামা’আতে সালাত (নামায) আদায় করলে না কেন? লোকটি বললোঃ ইয়া রাসূল (সাঃ) ! আমার গোসলের প্রয়োজন হয়েছিল, কিন্তু পানি নেই। তিনি বললেনঃ তুমি পবিত্র মাটির ব্যবহার (তায়াম্মুম) করবে। তা-ই তোমার জন্য যথেষ্ট।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩৪১

অক্টো. 162013
 

মুহাম্মদ ইবন সালাম (রহঃ) শাকীক (রহঃ) থেকে বরনিত, তিনি বলেনঃ আমি ‘আবদুল্লাহ (ইবন মাস’ঊদ) ও আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)-এর সঙ্গে বসা ছিলাম। আবূ মূসা (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বললেনঃ কোন ব্যাক্তির জুনুবী হলে সে যদি এক মাস পর্যন্ত পানি না পায়, তাহলে কি সে তায়াম্মুম করে সালাত (নামায) আদায় করবে না? শাকীক (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেনঃ একমাস পানি না পেলেও সে তায়াম্মুম করবে না। তখন তাঁকে আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তাহলে সূরা মায়িদার এ আয়াত সম্পর্কে কি করবেন যে। “পানি না পেলে পাক মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে” (৫:৬)। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) জওয়াব দিলেনঃ মানুষকে সেই অনুমতি দিলে অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছার সম্ভবনা রয়েছে যে, সামান্য ঠাণ্ডা লাগলেই লোকেরে মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করবে। আমি বললামঃ আপনারা এ জন্যই কি তা অপছন্দ করেন? তিনি জওয়াব দিলেন, হাঁ। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ আপনি কি উমর ইবন খাত্তব (রাঃ)-এর সম্মুখে ‘আম্মার (রাঃ)-এর এ কথা শোনেন নি যে, আমাকে রাসূল (সাঃ) একটা প্রয়জনে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। সফয়ে আমি জুনুবী হয়ে পড়লাম এবং পানি পেলাম না। এজন্য আমি জন্তুর মত মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম। পরে রাসূল (সাঃ) এর কাছে ঘটনাটি বিবৃত করলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমার জন্য তো এততুকুই যথেষ্ট ছিল—এই বলে তিনি দু’হাত মাটিতে মারলেন। তারপর তা ঝেড়ে নিলেন এবং তা দিয়ে তিনি বাম হাতে ডান হাতের পিঠ মাসেহ করলেন কিংবা রাবী বলেছেন, বাম হাতের পিঠ ডান হাতে মাসেহ করলেন। তারপর হাত দুটো দিয়ে তাঁর মুখমণ্ডল মাসেহ করলেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ আমি দেখেন নি যে দেখ না উমর (রাঃ) ‘আম্মার (রাঃ)-এর কথায় সন্তুষ্ট হন নি? ইয়া’লা (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) থেকে এবং তিনি শাকীক (রহঃ) থেকে আরো বলেছেন যে , তিনি বললেনঃ আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে হাযির ছিলাম; আবূ মূসা (রাঃ) বলেছিলেনঃ আপনি ‘উমর (রাঃ) থেকে ‘আম্মারের এ কথা শোনেন নি যে, রাসূল (সাঃ) আমাকে ও আপনাকে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন আমি জুনুবী হয়ে গিয়ে মাটিতে গড়াগড়ি দিয়েছিলাম। তারপর আমরা রাসূল (সাঃ) –এর কাছে এসে এ বিষয় তাঁকে জানালাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমার জন্য এই যথেষ্ট ছিল—এ বলে তিনি তাঁর মুখমণ্ডল এবং দু’হাত একবার মাসেহ করলেন?

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩৪০

অক্টো. 162013
 

‘উমর ইবন হাফস (রহঃ) শাকীক ইবন সালাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবন মাস’ঊদ ও আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তাঁকে আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ ‘আবদুর রহমান। কেউ জুনুবী হলে যদি পানি না পায় তবে কি করবে? তখন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ পানি না পাওয়া পর্যন্ত সালাত (নামায) আদায় করবে না। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তাহলে ‘আম্মার (রাঃ) এর কথার উত্তরে আপনি কি বলবেন? তাঁকে যে নবী (সাঃ) বলেছিলেন (তায়াম্মুম করে নেওয়া) তোমার জন্য যথেষ্ট ছিল। ‘আবদুল্লাহ ইবন মাস’ঊদ (রাঃ) বললেনঃ তুমি দেখ না উমর (রাঃ) ‘আম্মারের এই কথায় সন্তুষ্ট ছিলেন না? আবূ মূসা (রাঃ) পুনরায় বললেনঃ ‘আম্মারের কথা বাদ দিলেও তায়াম্মুমের আয়াতের কি ব্যাখ্যা করবেন? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) এর কোন উত্তর দিতে পারলেন না। আমরা যদি লোকদের তার অনুমতি দিয়ে দেই তাহলে আশঙ্কা হয়, কারো কাছে পানি ঠাণ্ডা মনে হলেই তায়াম্মুম করবে। রাবী আ’মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি শাকীক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, ‘’‘ আবদুল্লাহ (রাঃ) এ কারণে কি তায়াম্মুম অপছন্দ করেছিলেন?’’ তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩৩৯

অক্টো. 162013
 

বিশর ইবন খালিদ (রহঃ) আবূ ওয়াইল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবন মাস’ঊদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ (জুনুবী) পানি না পেলে কি সালাত (নামায) আদায় করবে না? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ’ আমি এক মাস ও যদি পানি না পাই তবে সালাত (নামায) আদায় করব না। এ ব্যাপারে লোকদের যদি অনুমতি দেই তা হলে তাঁরা একটু শীত বোধ করলেই এরুপ করতে থাকবে। অর্থাৎ তায়াম্মুম করে সালাত (নামায) আদায় করবে। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তাহলে উমর (রাঃ)-এর সামনে ‘আম্মার (রাঃ)-এর কথার তাৎপর্য কি হবে? তিনি উত্তরে বললেনঃ’ উমর (রাঃ) আম্মার (রাঃ)-এর কথায় সন্তুষ্ট হয়েছেন বলে আমি মনে করি না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩৩৮

অক্টো. 162013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) ’ইমরান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা নাবী (সাঃ) –এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। আমরা রাতে চলতে চলতে শেষরাতে এক স্থনে ঘুমিয়ে পড়লাম। মুসা ফিরের জন্য এর চাইতে মধুর ঘুম আর হতে পারে না। (আমরা এমন ঘোর নিদ্রায় নিমগ্ন ছিলাম যে, ) সূর্যের তাপ ছাড়া অন্য কিছু আমাদের জাগাতে পারেনি। সর্বপ্রথম জাগলেন অমুক, তারপর অমুক, তারপর অমুক। (রাবী) আবূ রাজা’ (রহঃ) তাঁদের সবারই নাম নিয়েছিলেন কিন্তু ‘আওফ (রহঃ) তাঁদের নাম মনে রাখতে পারেন নি। চতুর্থবারে জেগে ওঠা ব্যাক্তি ছিলেন ‘উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)। নাবী (সাঃ) ঘুমালে আমরা কেউ তাঁকে জাগাতাম না, যতখন তা তিনি নিজেই জেগে উঠতেন। কারণ নিদ্রাবস্থায় তাঁর উপর কি অবতীর্ণ হচ্ছে তা তো আমাদের জানানেই। ‘উমর (রাঃ) জেগে যখন মানুষের অবস্থা দেখলেন, আর তিনি ছিলেন দৃঢ়চিত্ত ব্যাক্তি—উচ্চস্বরে তাকবীর বলতে শুরু করলেন। তিনি ক্রমাগত উচ্চস্বরে তাকবীর বলতে লাগলেন। এমন কি তাঁর শব্দে নবী (সাঃ) জেগে উঠলেন। তখন লোকেরা তাঁর কাছে ওজর পেশ করলো। তিনি বললেনঃ কোন ক্ষতি নেই বা বললেনঃ কোন ক্ষতি হবে না। এখান থেকে চল। তিনি চলতে লাগলেন। কিছু দূর গিয়ে থামলেন। উযূর পানি আনলেন এবং উযূ করলেন। সালাত (নামায)-এর আযান দেওয়া হল। তিনি লোকদের নিয়ে সালাত (নামায) আদায় করলেন। সালাত (নামায) শেষ করে দেখলেন, এক ব্যাক্তি পৃথক দাড়িয়ে আছেন। তিনি লোকদের সাথে সালাত (নামায) আদায় করেন নি। নাবী (সাঃ) তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ হে অমুক! তোমাকে লোকদের সাথে সালাত (নামায) আদায় করতে কিসে বাধা দিল? তিনি বললেনঃ আমার উপর গোসল ফরয হয়েছে। আথচ পানি নেই। তিনি বললেনঃ পবিত্র মাটি নাও (তায়াম্মুম কর), এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট। রাসূল (সাঃ) পুনরায় সফর শুরু করলেন। লোকেরা তাঁকে পিপাসার কষ্ট জানালো। তিনি অবতরণ করলেন, তারপর অমুক ব্যাক্তি কে ডাকলেন। (রাবী) আবূ রাজা’ (রহঃ) তাঁর নাম উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু ‘আওফ (রহঃ) তা ভুলে গিয়েছেন। তিনি ‘আলী (রাঃ)-কেউ ডাকলেন। তারপর উভয়কেই পানি খুজে আনতে বললেন। তাঁরা পানির খোজে বের হলেন। তাঁরা পথে এক মহিলা কে দুই মশক পানি উটের উপর করে নিতে দেখলেন। তাঁরা জিজ্ঞাসা করলেনঃ পানি কোথায়? সে বললোঃ গতকাল এ সময়ে আমি পানির নিকটে ছিলাম। আমার পাত্র পেছনে রয়ে গেছে। তাঁরা বললেনঃ এখন আমাদের সঙ্গে চলো। সে বললোঃ কোথায়? তাঁরা বললেনঃ রাসূল (সাঃ) এর নিকট। সেই লোকটির কাছে যাকে সাবি’ (ধর্ম পরিবর্তনকারী) বলা হয়? তাঁরা বললেনঃ হাঁ, তোমরা যাকে এই বলে থাক। আচ্ছা এখন চল। তাঁরা তাকে নিয়ে রাসূল (সাঃ) এর কাছে এলেন এবং সমস্ত ঘটনা খুলে বললেন। ‘ইমরান (রাঃ) বলেনঃ লোকেরা স্ত্রীলোকটিকে তাঁর উট থেকে নামালেন। তারপর রাসূল (সাঃ) একটি পাত্র আনতে বললেন এবং উভয় মশকের মুখ খুলে তাতে পানি ঢাললেন এবং সেগুলোর মুখ বন্ধ করে দিলেন। তারপর সে মশকের নীচের মুখ খুলে দিয়ে লোকদের মধ্যে পানি পান করার ও জন্তু-জানোয়ারকে পানি পান করানোর ঘোষণা দিলেন। তাঁদের মধ্যে যার ইচ্ছা পানি পান করলেন ও জন্তুকে পান করালেন। অবশেষে যে ব্যাক্তির গোসলের দরকার ছিল, তাকেও এক পাত্র পানি দিয়ে রাসূল (সাঃ) বললেনঃ এ পানি নিয়ে যাও এবং গোসল সার। ঐ মহিলা দাড়িয়ে দেখছিল যে তাঁর পানি নিয়ে কি করা হচ্ছে। আল্লাহর কসম! যখন তাঁর থেকে পানি নেয়া শেষ হল তখন আমাদের মনে হল, মশকগুলো পুরবাপেক্ষা অধিক ভর্তি। তারপর নবী (সাঃ) বললেনঃ মহিলার জন্য কিছু একত্র কর। লোকেরা মহিলার জন্য আজওয়া (বিশেষ খেজুর), আটা ও ছাতু এনে একত্র করলেন। যখন তাঁরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী জমা করলেন, তখন তা একটা কাপড়ে বেধে মহিলাকে উটের উপর সওয়ার করালেন এবং তাঁর সামনে কাপড়ে বাঁধা গাঁটরিটি রেখে দিলেন। রাসূল (সাঃ) বললেনঃ তুম জানো যে, আমার তোমার পানি মোটেই কম করিনি; বরং আল্লাহ তা’লাই আমাদের পানি পান করিয়েছেন। এরপর সে তাঁর পরিজনের কাছে ফিরে গেল। তাঁর বেশ দেরি হয়েছিল। পরিবারের লোকজন তাঁকে জিজ্ঞেসা করল, হে অমুক! তোমার এত দেরি হল কেন? উত্তরে সে বললো একটা আশ্চার্যজনক ঘটনা! দু’জন লোকের সাথে আমার দেখা হয়েছিল। তাঁরা আমাকে সেই লোকটির কাছে নিয়ে গিয়েছিল, যকে সাবি’ বলা হয়। আর সেখানে সে এসব করল। এ বলে সে মধ্যমা ও তর্যনী আঙ্গুল দিয়ে আসমান ও যমীনের দিকে ইশারা করে বলল, আল্লাহর কসম! সে এ দু’টির সবচাইতে বড় জাদুকর, নয় তো সে বাস্তবিকই আল্লাহর রাসূল (সাঃ) । এ ঘটনার পর মুসলিমরা ওই মহিলার গোত্রের আশেপাশের মুশরিকদের উপর হামলা করতেন কিন্তু মহিলার সাথে সম্পর্কযুক্ত গোত্রের কোন ক্ষতি করতেন না। এসব দেখে কি তোমরা ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হবে না? তাঁরা সবাই মহিলাটির কথা মেনে নিল এবং ইসলাম দাখিল হয়ে গেল। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেনঃ صنباءশব্দের অর্থ নিজের দিন ছেড়ে অন্ন্যের দিন গ্রহন করা। আবূল ‘আলিয়া (রহঃ) বলেনঃبدًين صاহচ্ছে আহলে কিতাবের একটা দল, যারা যবূর কিতাব পড়ে থাকে। صب* *শব্দের অর্থ ঝুকে পড়া। (সূরা উনুসুফের ৩৩ নং আয়াতে এ শব্দটি আছে)

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ৩৩৭

অক্টো. 032013
 

মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ইবন ‘আবদুর রহমান ইবন আবযা তাঁর পিতা (‘আবদুর রহমান) থেকে বর্ণনা করেন যে, ‘আম্মার (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূল (সাঃ) মাটিতে হাত মারলেন এবং তাঁর চেহারা ও হস্তদ্বয় মাসেহ করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩৩৬

অক্টো. 032013
 

মুসলিম (ইবন ইবরাহীম) (রহঃ) ’আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ) –এর কাছে উপস্থিত ছিলাম, ‘আম্মার (রাঃ) তাঁকে বললেন, এর পর রাবী পূর্বের হাদিসটি বর্ণনা করেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তায়াম্মুম হাদিস নাম্বারঃ ৩৩৫