নভে. 212013
 

খালিদ ইবনু মাখলাদ (রহঃ) ইবনু বুহায়না (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম বাধা অবস্থায় ‘লাহইয়ে জামাল’ নামক স্থানে তাঁর মাথার মধ্যখানে শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭১৭

নভে. 212013
 

ইসহাক (রহঃ) কা’ব ইবনু ‘উজারা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার চেহারায় উকুন হজরে পড়তে দেখে তাঁকে বল্লেনঃ এই কিটগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বলেন, হাঁ। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে মাথা কামিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন। এ সময় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুদায়বিয়ায় ছিলেন। এখানেই তাঁদের হালাল হয়ে যেতে হবে এ বিষয়টি তখনো তাঁদের কাছে স্পষ্ট হয়নি। তারা মক্কায় প্রবেশের আশা করছিলেন। তখন আল্লাহ তা’আলা ফিদ্যার হুকুম নাযিল করলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে এক ফরক খাদ্যশস্য ছয়জন মিস্কীনের মধ্যে দিতে কিংবা একটি বকরী কুরবানী করতে অথবা তিন সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন। মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) কা’ব ইবনু ‘উজারা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে এমতবস্থায় দেখলেন যে, তাঁর চেহারার উপর উকুন পড়ছে। এর বাকি অংশ উপরের হাদীসের উনুরুপ।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭০১

নভে. 212013
 

আবূল ওলীদ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মা’কিল (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি কা’ব ইবনু ‘উজরা (রাঃ)-এর পাশে বসে তাঁকে ফিদ্‌য়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, এ আয়াত বিশেষভাবে আমার সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে। তবে এ হুকুম সাধারণভাবে তোমাদের সকলের জন্যই। রাসূলল্লাহ -এর কাছে আমাকে নিয়ে যাওয়া হল। তখন আমার চেহারায় উকুন বেয়ে পড়ছে। তিনি বললেনঃ তোমার কষ্ট বা পীড়া যে পর্যায়ে পৌছেছে দেখতে পাচ্ছি, আমার তো আগে ই ধারণা ছিল না। তুমি কি একটি বকরীর ব্যবস্থা করতে পারবে? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি তিন দিন সিয়াম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীনকে অর্ধ সা’করে খাওয়াও।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭০০

নভে. 212013
 

আবূ নু’আইম (রহঃ) কা’ব ইবনু ‘উজরা (রাঃ) বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার কাছে দাঁড়ালেন। এ সময় আমার মাথা থেকে উকুন ঝরে পরেছিল। রাসূলল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার এই কীটগুলো (উকুন) কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হাঁ, তিনি বললেনঃ মাথা মুড়িয়ে নাও অথবা বললেন, মুড়িয়ে নাও। কা’ব ইবনু ‘উজরা (রাঃ) বলেন, আমার সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে এই আয়াতটিঃ তোমাদের মধ্যে যদি পীড়িত হয় কিংবা মাথায় ক্লেশ থাকে (২ : ১৯৬)। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি তিনদিন সিয়াম পালন কর কিংবা এক ফরক (তিন সা’ পরিমাণ) ছয়জন মিসকীনের মধ্যে সা’দকা কর, অথবা কুরবানী কর যা তোমার জন্য সহজসাধ্য।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৬৯৯

নভে. 212013
 

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) কা’ব ইবনু ‘উজরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, বোধ হয় তোমার এই কীটেরা (উকুন) তোমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হাঁ, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! এরপর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি মাথা মুড়িয়ে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাও কিংবা একটি বকরী কুরবানী কর।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৬৯৮

নভে. 162013
 

সাঈদ ইবনু উফাইর (রহঃ) সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যুদ্ধের ময়দানে যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মাথার শিরস্ত্রাণ ভেঙ্গে গেল ও তাঁর মুখমন্ডল রক্তাক্ত হয়ে গেল এবং তাঁর সামনের দাঁত ভেঙ্গে গেল, তখন আলী (রাঃ) ঢালে করে ভরে ভরে পানি আনতেন এবং ফাতিমা (রাঃ) ক্ষতস্থান ধুতে ছিলেন। যখন ফাতিমা (রাঃ) দেখলেন যে, পানির চাইতে রক্তক্ষরণ আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন একখানা চাটাই নিয়ে তা পোড়ালেন এবং তার ছাই ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিলেন, তাতে রক্ত বন্ধ হয়ে গেল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭০৩

নভে. 102013
 

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন ইউসুফ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, যখনই রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসুস্থ হতেন তখনই তিনি ‘ সূরায়ে মু’আবিযাত’ পাঠ করে নিজের উপর ফুঁক দিতেন। যখন তাঁর রোগ কঠিন আকার ধারন করল, তখন বরকত লাভের জন্য আমি এই সকল সূরা পাঠ করে হাত দিয়ে শরীর মাসেহ্‌ করিয়ে দিতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৪৭

নভে. 072013
 

মুহাম্মদ (রহঃ) স্বাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি: যে ব্যাক্তি সকাল বেলা সাতটি আজওয়া খুরমা খেয়ে নিবে, তাকে সে দিন কোন বিষ অথবা যাদু ক্ষতি করতে পারবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৬৪

নভে. 072013
 

ইসহাক ইবন মানসুর (রহঃ) স্বাদ (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি ভোর বেলা সাতটি আজওয়া (মদিনায় উৎপন্ন উন্নত মানের খুরমার নাম) খেজুর খাবে, সে দিন কোন বিষ বা যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৫৭

নভে. 072013
 

আলী (রহঃ) আমির ইবন স্বাদ তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যাক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খুরমা খাবে ঐ দিন রাত পর্যন্ত কোন বিষ ও যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না। অন্যান্য বর্ননাকারীগণ বলেছেনঃ সাতটি খুরমা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৫৬