নভে. 172013
 

বদল ইবনু মুহাববার (রহঃ) আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা (রাঃ) আটা পিষার কষ্টের কথা জানোান। তখন তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছে যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কয়েকজন বন্দী আনা হয়েছে। ফাতিমা (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে একজন খাদিম চাইলেন। তিনি তাঁকে পেলেন না। তখন তিনি তা আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করেন। তারপর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এলে আীয়শা (রাঃ) তাঁর কাছে বিষয়টি বললেন। (রাবী বলে) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে এলেন। তখন আমরা শয্যা গ্রহণ করেছিলাম। আমরা উঠতে উদ্যত হলাম। তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ জায়গায় থাক। আমি তাঁর পায়ের শীতলতা আমার বুকে অনুভব করলাম। তখন তিনি বললেন, ‘তোমরা যা চেয়েছ, আমি কি তোমাদের তার চাইতে উত্তম বস্ত্তর সন্ধান দিব না? (তিনি বললেন) যখন তোমরা শয্যা গ্রহণ করবে, তখন চৌত্রিশ বার ‘আল্লাহ আকবার’ তেত্রিশবার ‘আলহামদু লিল্লাহ’ এবং তেত্রিশবার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে, এ-ই তোমাদের জন্য তার চাইতে উত্তম, যা তোমরা চেয়েছ। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৯৩

নভে. 122013
 

আহমাদ ইবনু আশকাব (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ দুটি কলেমা (বানী) রয়েছে, যেগুলো দয়াময় আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়, উচ্চারণে খুবই সহজ (আমলের) পাল্লায় অত্যন্ত ভারী। (বানী- দুটি হচ্ছে), সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহান্নাল্লাহিল আযীম- আমরা আল্লাহ তায়ালার প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, মহান আল্লাহ অতীব পবিত্র।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০৫৩

নভে. 122013
 

মুআল্লা ইবন আসাদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতা তিনি বলেনঃ আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুলায়মানের ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা সুলায়মান (আঃ) বললেনঃ আজ রাতে আমার সব স্ত্রীর কাছে যাব। যার ফলে স্ত্রীরা সবাই গর্ভবতী হয়ে এক একজন সন্তান প্রসব করবে, যারা অশ্বারোহী অবস্হায় আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। অতএব সুলায়মান (রাঃ) তাঁর সব স্ত্রীর কাছে গেলেন, তবে তাদের থেকে একজন স্ত্রী ছাড়া আর কেউ গর্ভবতী হলো না। সেও প্রসব করলো একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ যদি সুলায়মান (আঃ) ইনশাআল্লাহ বলতেন, তাহলে স্ত্রীরা সবাই গর্ভবতী হয়ে যেতো এবং প্রসব করতো এমন সন্তান যারা অশ্বারোহী অবস্হায় আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করত।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৬১

নভে. 122013
 

মু’আয ইবন ফাদালা (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আল্লাহ ঈমানদারদেরকে সমবেত করবেন তখন তারা উক্তি করবে আমরা আমাদের প্রতিপালকের। কাছে কোন সুপারিশ যদি নিয়ে যেতাম; তাহলে তিনি আমাদেরকে এই স্হানটি থেকে বের করে শান্তি প্রদান করতেন। এরপর তারা আদম (আঃ)-এর কাছে গিয়ে বলবে, হে আদম (আঃ)! আপনি কি মানুষের অবস্হা দেখছেন না? অথচ আল্লাহ আপনাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। আপনাকে তিনি তাঁর ফেরেশতাগণ দিয়ে সিজদা করিয়েছেন। আর আপনাকে সব জিনিসের নাম শিক্ষা দিয়েছেন সুতরাং আপনি আমাদের প্রতিপালকের কাছে সুপারিশ করুন, যেন এই স্থানটি থেকে আমাদেরকে তিনি শান্তি প্রদান করেন। আদম (আঃ) তখন বলবেন, এই কাজের জন্য আমি যোগ্য নই। এবং আদম (আঃ) তাদের কাছে স্বীয় ভুলের কথা স্বরণ করবেন এবং বলবেন, তোমরা বরং নূহ (আঃ)-এর কাছে যাও। যেহেতু তিনিই আল্লাহর প্রথম রাসুল। যাকে তিনি যযীনবাসীর কাছে প্রেরণ করেছিলেন। (এ কথা জনে) তারা নূহ (আঃ)-এর কাছে আসবে। তিনিও বলবেন, আমি তোমাদের এই কাজের জন্য যোগ্য নই। তিনি তাঁর কৃত ত্রুটির কথা স্বরণ করে বলবেন, তোমরা বরং আল্লাহর খলীল (বর) ইবরাহীম(আঃ)-এর কাছে যাও। তখন তারা ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে চলে আসবে। তিনিও তাদের কাছে স্বীয় কৃত ত্রুটিসমুহর কথা উল্লেখ পূর্বক বলবেন, আমি তোমাদের এই কাজের জন্য যোগ্য নই। তোমরা বরং মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও। তিনি এমন একজন বান্দা যাকে আল্লাহ তাওরাত প্রদান করেছিলেন এবং তাঁর সাথে তিনি প্রত্যক্ষ বাক্যালাপ করেছিলেন। তারা তখন মূসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। মূসা (আঃ)-ও বলবেন, আমি তোমাদের এই কাজের জন্য যোগ্য নই। তাদের কাছে তিনি স্বীয়কৃত ক্রটির কথা উল্লেখ পূর্বক বলবেন, তোমরা বরং ঈসা (আঃ)-এর কাছে যাও। যিনি আল্লাহর বান্দা, তাঁর রাসুল, কালেমা ও রুহ তখন তারা ঈসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। তখন ঈসা (আঃ) বলবেন, আমি তোমাদের এই কাজের যোগ্য নই। তোমরা বরং মুহাম্মাদ -এর কাছে যাও। তিনি এমন একজন বান্দা, যার আগের ও পরের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। তাবা সবাই আমার কাছে আসবে। আমি তখন আমার প্রতিপালকের কাছে অনুমতি প্রার্থনা করবা আমাকে এর অনুমতি দেওয়া হবে। আমি আমার প্রতি পালককে যখন দেখতে পাব, তখনই আমি তাঁর সামনে সিজদায় পড়বো। আল্লাহ তার মরজী অনুসারে যতক্ষন আমাকে সেভাবে রাখার রেখে দেবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। (যা বলর) বলুন। শোনা হবে। (যা চাওয়ার) চান, দেয়া হবে। (যা সুপারিশ করার) করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার প্রতিপালকের শিখিয়ে দেয়া প্রশংসারাজির দারা আমি তাঁর প্রশংসা করব। তারপর আমি শাফাআত করব। আমার জন্য একটা সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এরপর আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি ফিরে আসব। যখন আমি আমার প্রতিপালককে দেখতে পাব তখন তাঁর জন্য সিজদায় পড়বো। আল্লাহর মরজী অনুসারে যতক্ষন আমাকে এভাবে রাখতে চাইবেন রেখে দিবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেওয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার প্রতিপালকের শিখিয়ে দেয়া প্রশংসারাজি দিয়ে আমি তার প্রশংসা করব এবং সুপারিশ কবর। তখনো আমার জন্য একটা সীমা নির্ধারন করা হবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি আবার ফিরে আসব। আমি এবারও আমার প্রতিপালককে দেখামাত্র সিজদায় পড়বো। আল্লাহ তায়ালা তাঁর মরজী অনুসারে যতক্ষন ইচ্ছা আমাকে সেই অবস্হায় রেখে দিবেন। তারপর বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, কবুল করা হবে। তখন আমার রব আমাকে শিখিয়ে দেয়া প্রশংসারাজি দ্বারা প্রশংসা করে শাফাআত করব। তখনও একটা সীমা বাতলানো থাকবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। এরপর আমি তার কাছে ফিরে গিয়ে বলব, হে প্রতিপালক! এখন একমাত্র তারাই জাহান্নামে অবশিষ্ট রয়েছে, যাদেরকে কুরআন আটক করে রেখে দিয়েছে এবং যাদের উপর স্থায়ীভাবে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছে। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ- পড়েছে, অথচ তার হৃদয়ে একটি যবের ওজন পরিমাণ কল্যাণ ঈমান আছে, তাকেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। তারপর বের করা হবে জাহান্নাম থেকে তাদেরকেও, যারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়েছে এবং তার হৃদয়ে একটি গমের ওযন পরিমাণ কল্যান (ঈমান) আছে। (সর্বশেষে) জাহান্নাম থেকে তাকে বের করা হবে, যে ব্যাক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়েছে এবং তার হৃদয়ে অণূ পরিমাণ মাত্র কল্যাণ (ঈমান) আছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯০৬

নভে. 122013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা কোন এক সফরে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা উচু স্থানে উঠার সময় তাকবীর বলতাম। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমরা তোমাদের-নফসের উপর একটু সদয় হও। কেননা, তোমরা ডাকছ না বধির কিংবা অনুপস্হিত কাউকে। বরং তোমরা ডাকছ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা এবং ঘনিষ্টতমকে। এরপর তিনি আমার কাছে আসলেন। তখন আমি মনে মনে ‘লা হাওলা অলাকুউতা ইল্লা বিল্লাহ’ পড়ছিলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ হে আব্দুল্লাহ ইবন কায়স! পড় ‘লা হাওলা অলাকুউতা ইল্লা বিল্লাহ’ কেননা এটি জান্নাতের খাযানা সমুহের একটি। অথবা তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাকে সেই বাক্যটির দিকে পথ প্রদর্শন করব না (যা হচ্ছে জান্নাতের খাযানা)?

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৮৩

নভে. 112013
 

ইসহাক রহ … সায়ীদ ইবন মূসা ইয়্যাব রহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ তালিব এর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার কাছে আসলেন। তিনি সেখানে আবূ জাহল ইবন হিশাম ও আব্দুল্লাহ ইবন উমাইয়্যা ইবন মুগীরাকে উপস্থিত দেখতে পেলেন। (রাবী বলেন) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবূ তালিবকে লক্ষ্য করে বললেন, চাচাজান! ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ কালিমা পাঠ করুন, তা হলে এর অসীলায় আমি আল্লাহর সমীপে আপনার জন্য সাক্ষ্য দিতে পারব। আবূ জাহল ও আবদুল্লাহ ইবন আবূ উমায়্যা বলে উঠল, ওহে আবূ তালিব! তুমি কি আবদুল মুত্তালিবের ধর্ম থেকে বিমুখ হবে? এরপর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার কাছে কালিমা পেশ করতে থাকেন, আর তারা দু’জনও তাদের উক্তি পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। অবশেষে আবূ তালিব তাদের সামনে শেষ কথাটি যা বলল, তা এই যে, সে আবদুল মুত্তালিবের ধর্মের উপর অবিচল রয়েছে, সে আবদুল মুত্তালিবের ধর্মের উপর অবিচল রয়েছে, সে ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলতে অস্বীকার করল। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহর কসম! তবুও আমি আপনার জন্য মাগফিরাত কামনা করতে থাকব, যতক্ষণ না আমাকে তা থেকে নিষেধ করা হয়। এ প্রসংগে আল্লাহ পাক নাযিল করেন, == নাবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জন্য সংগত নয়… (সূরা তাওবা:১১৩)।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১২৭৭

নভে. 102013
 

উমর ইব্‌ন হাফ্‌স (রহঃ) হযরত আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যদি কোন ব্যাক্তি সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত পাঠ করে, তবে এটাই তার জন্য যথেষ্ট।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৭১

নভে. 102013
 

উমর ইব্‌ন হাফ্‌স (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাহাবীদেরকে বলেছেন, তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এ-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে অসাধ্য মনে কর? এ প্রশ্ন তাদের জন্য কঠিন ছিল। এরপর তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমাদের মধ্যে কার সাধ্য আছে যে, এমনটি পারবে? তখন তিনি বললেন, “কুলহু আল্লাহু আহাদ” অর্থাৎ সূরা ইখ্‌লাস কুরআন শরীফের এক-তৃতীয়াংশ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৪৬

নভে. 102013
 

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন ইউসুফ (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যাক্তি অন্য আরেক ব্যাক্তিকে ‘কুলহু আল্লাহু আহাদ’ পড়তে শুনলেন। সে বার বার তা মুখে উচ্চারন করছিল। (তিনি মনে করলেন এভাবে বারাবার পাঠ করা যথেষ্ট নয়) পরদিন সকালে তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে এ সম্পর্কে বললেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সো সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন। এ সূরা হচ্ছে সমগ্র কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বললেনঃ আমার ভাই- কাতাদা ইব্‌ন নুমান আমাকে বলেছেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সময় এক ব্যাক্তি শেষ রাতে সালাত (নামায) শুধুমাত্র “কুলহু আল্লাহু আহাদ” ছাড়া আর কোনো সূরাই তিলাওয়াত করেননি। পরদিন সকালে কোন এক ব্যাক্তি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে আসলেন। বাকী অংশ পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৪৫

নভে. 102013
 

আমর ইব্‌ন খালিদ (রহঃ) বারা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি “সূরা কাহফ” তিলাওয়াত করেছিলেন। তার ঘোড়াটি দু’টি রশি দিয়ে তার পাশে বাঁধা ছিল। তখন এক খন্ড মেঘ এসে তার উপর ছায়া বিস্তার করল। মেঘখন্ড ক্রমশ নিচের দিকে নেমে আসতে লাগল। আর তার ঘোড়াটি ভয়ে লাফালাফি শুরু করে দিল। ভোর বেলা যখন লোকটি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে উক্ত ঘটনার কথা বললেন, তখন তিনি বললেন, এ ছিল আস্‌সাকিনা (প্রশান্তি), যা কুরআন তিলাওয়াতের কারণে অবতীর্ণ হয়েছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৪৩