নভে. 172013
 

মূসা’দ্দাদ (রহঃ) আমর ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর যুদ্ধাস্ত্র সা’দা খচ্চর ও কিছু যমীন ব্যতীত কিছুই রেখে যান নি এবং তাও তিনি সা’দকারূপে রেখে গেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৭৯

নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ শাইবা (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর ওফাত হল, তখন আমার ঘরে এমন কোন বস্ত্ত ছিল না, যা খেয়ে কোন প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে। শুধুমাত্র তাকের উপর আধা ওয়াসাক আটা পড়ে রয়েছিল। আমি তা থেকে খেতে থাকলাম এবং বেশ কিছু দিন কেটে গেল। এরপর আমি তা মেপে দেখলাম, ফলে তা নিঃশেষ হয়ে গেল। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৭৮

নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, (আমার ওফাতের পর) আমার উত্তরাধিকারীগণ একটি দীনারও ভাগবণ্টন করে নিবে না। আমি যা রেখে যাব, তা থেকে আমার সহধর্মিনীগণের ব্যয় ভার ও আমার কর্মচারীদের ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট যা থাকবে, তা সা’দকারূপে গণ্য হবে। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৭৭

নভে. 172013
 

ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকাইর (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমি প্রেরিত হয়েছি এবং শত্রুর মনে ভীতির সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি নিদ্রায় ছিলাম, এমতাবস্থায় পৃথিবীর ধনভান্ডার সমূহের চাবি আমার হাতে অর্পণ করা হয়। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তো চলে গেছেন আর তোমরা তা বের করছ।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৬৯

নভে. 162013
 

আমর ইবনু আব্বাস (রহঃ) আমর ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছুই রেখে যাননি, শুধু তাঁর অস্ত্র, একটি সা’দা খচ্চর ও একখন্ড জমি, যা তিনি সা’দকা করে গিয়েছিলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭১১

নভে. 152013
 

ইয়া‘কূব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)… শা‘বি (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, মুগীরা ইবনু শু‘বা (রহঃ)-এর কাতিব (একান্ত সচিব) বলেছেন, মু‘আবিয়া (রাঃ) মুগীরা ইবনু ইবনু শু‘বা (রাঃ)-এর কাছে লিখে পাঠালেন যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছ থেকে আপনি যা শুনেছেন তার কিছু আমাকে লিখে জানোান। তিনি তাঁর কাছে লিখলেন, আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তোমাদের তিনটি কাজ অপছন্দ করেন, (১) অনর্থক কথাবার্তা, (২) সম্পদ নষ্ট করা এবং (৩) অত্যধিক সাওয়াল করা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩৯১

নভে. 152013
 

আবূ ‘আসিম (রহঃ) ও মুহাম্মদ ইবনু ‘আবদুর রাহীম (রহঃ)… আসমা বিন্ত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি এক সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপস্হিত হলে তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি সম্পদ জমা করে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহ তোমার থেকে তা আটকে রাখবেন। কাজেই সাধ্যানুসারে দান করতে থাক।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩৫১

নভে. 152013
 

‘উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ)… ‘আবদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, [পূর্বোক্ত সূত্রে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন] তুমি (সম্পদ) জমা করে রেখো না, (এরূপ করলে) আল্লাহ তোমার রিযক বন্ধ করে দিবেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩৫০

নভে. 152013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না তোমাদের মধ্যে সম্পদ বৃদ্ধি পেয়ে উপচে না পড়বে, এমনকি সম্পদের মালিকগণ তার সা’দকা কে গ্রহণ করবে তা নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়বে। যাকেই দান করতে চাইবে সে-ই বলবে, প্রয়োজন নেই।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩২৯

নভে. 152013
 

‘আয়্যাশ ও ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ)…আহনাফ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমি কুরাইশ গোত্রীয় একদল লোকের সাথে বসেছিলাম, এমন সময় রূক্ষ চুল, মোটা কাপড় ও খসখসে শরীর বিশিষ্ট এক ব্যাক্তি তাদের নিকট এসে সালাম দিয়ে বলল, যারা সম্পদ জমা করে রাখে তাদেরকে এমন গরম পাথরের সংবাদ দাও, যা তাদেরকে শাস্তি প্রদানের জন্য জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করা হচ্ছে। তা তাদের স্তনের বোঁটার উপর স্থাপন করা হবে আর তা কাধেঁর পেশী ভেদ করে বের হবে এবং কাঁধের ওপর স্থাপন করা হবে, তা নড়াচড়া করে সজোরে স্থনের বোঁটা ছেদ করে বের হবে। এরপর লোকটি ফিরে গিয়ে একটি স্তম্ভের পাশে বসলো। আমিও তাঁর অনুগমন করলাম ও তাঁর কাছে বসলাম। এবং আমি জানতাম না সে কে। আমি তাকে বললাম, আমার মনে হয় যে, আপনার বক্তব্য লোকেরা পছন্দ করেনি। তিনি বললেন, তারা কিছুই বুঝে না। কথাটি আমাকে আমার বন্ধু বলেছেন। রাবী বললেন, আমি বললাম, আপনার বন্ধু কে? সে বলল, তিনি হলেন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) । [ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেন] হে আবূ যার! তুমি কি উহুদ পাহাড় দেখেছ? তিনি বলেন, তখন আমি সূর্যের দিকে তাকিয়ে দেখলাম দিনের কতটুকু অংশ বাকি রয়েছে। আমার ধারণা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর কোন প্রয়োজনে আমাকে পাঠাবেন। আমি জওয়াবে বললাম, জী-হাঁ। তিনি বললেনঃ তিনটি দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) ব্যতীত উহুদ পাহাড় সমান স্বর্ণস্তূপ আমার কাছে আসুক আর আমি সেগুলো দান করে দেই তাও আমি নিজের জন্য পছন্দ করি না। [ আবূ যার (রাঃ)বলেন ] তারা তো বুঝে না, তারা শুধু দুনিয়ার সম্পদই একত্রিত করছে। আল্লাহর কসম, না! না! আমি তাদের নিকট দুনিয়ার কোন সম্পদ চাই না এবং আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করা পর্যন্ত দ্বীন সম্পর্কেও তাদের নিকট কিছু জিজ্ঞাসা করবো না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩২৫