নভে. 082013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ননা করেন। একবার আনসারদের কিছু সংখ্যক লোক নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে সাহায্য চাইলেন। তাদের যে যা চাইলেন, তিনি তা-ই দিলেন, এমন কি তাঁর কাছে যা কিছুছিল তা শেষ হয়ে গেল। যখন তাঁর দু-হাত দিয়ে দান করার পর সবকিছু শেষ হয়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ আমার কাছে যা কিছু মালামাল থাকে, তা থেকে আমি কিছুই সঞ্চয় করি না। অবশ্য যে নিজেকে মুখাপেক্ষি তাতে রাখতে চায়, আল্লাহ তাকে তাই রাখেন; আর যে ব্যাক্তি ধৈর্য ধারণ করে তিনি তাকে ধৈর্যশীলই রাখেন। আর যে ব্যাক্তি পরনির্ভর হতে চায় না, আল্লাহ তাকে অভাবমুক্ত রাখেন। সবর অপেক্ষা বেশি প্রশস্ত ও কল্যাণকর কিছু কস্মিনকালেও তোমাদেরকে দান করা হবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০২৬

নভে. 082013
 

ইয়াহইয়া ইবন মূসা (রহঃ) কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ খাব্বাব (রাঃ) সাতবার তার পেটে উত্তপ্ত লোহার দাগ নেওয়ার পর আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, যদি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মৃত্যু কামনা করা নিষিদ্ধ না করতেন, তাহলে আমি মৃত্যু কামনা করতাম। নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ -এর সাহাবার অনেকেই (দুনিয়ার মোহে পতিত না হয়েই) চলে গিয়েছেন। অথচ দুনিয়া তাঁদের আখিরাতের কোনই ক্ষতিসাধন করতে পারেনি। আর আমরা দুনিয়ার ধনসম্পদ সংগ্রহ করেছি, যার জন্য মাটি ছাড়া আর কোন স্হান পাচ্ছি না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৮৭

নভে. 082013
 

মুসলিম ইবন ইবরাহীম (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আদম সন্তানের বয়স বাড়ে আর তার সাথে দুটি জিনিসও বৃদ্ধি পায়; ধন-সম্পদের মহববত ও দীর্ঘায়ুর আকাঙ্ক্ষা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৭৯

নভে. 082013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, বৃদ্ধ লোকের অন্তর দুটি ব্যাপারে সর্বদা যুবক থাকে। এর একটি হল দুনিয়ার মহব্বত, আরেকটি হল উচ্চাকাঙ্ক্ষা। লায়ছ (রহঃ) সাঈদ ও আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৭৮

অক্টো. 292013
 

কুতাইবা ইবন সাঈদ (রহঃ) ইবন আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা যদি এক চতুর্থাংশে নেমে আসত (তবে ভাল হতো) কেননা, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, এক তৃতীয়াংশ এবং তৃতীয় অংশই বিরাট অথবা তিনি বলেছেন বেশ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অসিয়াত হাদিস নাম্বারঃ ২৫৫৬

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ গায়বের কুঞ্জি হল পাঁচটি, যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানেনা। ১ কেউ জানেনা যে, আগামী কাল কি ঘটবে। ২ কেউ জানেনা যে মায়ের গর্ভে কী আছে। ৩ কেউ জানেনা যে, আগামীকাল সে কী অর্জন করবে। ৪ কেউ জানেনা যে, সে কোথায় মারা যাবে। ৫ কেউ জানেনা যে, কখন বৃষ্টি হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বৃষ্টির জন্য দু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৯৮২

অক্টো. 202013
 

মুসা (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন যায়িদ (রাঃ) নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যদি হিজরত না হত, তাহলে আমি আনসারদের অন্তর্ভুক্ত একজন হতাম। আর লোকেরা যদি কোন এক উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়ে গমন করত, তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়ে গমন করতাম। আবূ তাইয়াহ (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে অনুরুপ হাদীস উপত্যকারঁ কথা উল্লেখ করে আববাদ ইবন তামীম-এর অনুসরণ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আকাঙ্ক্ষা হাদিস নাম্বারঃ ৬৭৫১

অক্টো. 202013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ যদি হিজরত না হত, তাহলে আমি আনসারদের অন্তর্ভুক্ত একজন হতাম। আর লোকেরা যদি এক উপত্যকা দিয়ে গমন করত আর আনসাররা যদি অন্য উপত্যকা দিয়ে কিংবা গিরিপথ দিয়ে গমন করত তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়েই গমন করতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আকাঙ্ক্ষা হাদিস নাম্বারঃ ৬৭৫০

অক্টো. 202013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ) -কে কাবার বাইরের দেওয়াল (যাকে হাতীমে কাবা বলা হয়) সম্প্ররকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, এটা কি কা’বা ঘরের অংশ ছিল? তিনি বললেনঃ হ্যা। আমি বললাম, তাহলে তারা এ অংশকে (কাবা) ঘরের ভিতরে শামিল করল না কেন? তিনি বললেনঃ তোমার গোত্রের খরচে অনটন দেখা দিয়েছিল। আমি বললামঃ এর দরজাটি এত উচ্চ স্থাপিত হল কেন? তিনি বললেনঃ এটা তোমার গোত্র এজন্য করেছিল যাতে তারা যাকে ইচ্ছা প্রবেশ করতে দেবে এবং যাকে ইচ্ছা বাধা প্রদান করবে। তবে যদি তোমার গোত্র সদ্য জাহেলিয়াত মুক্ত না হত। এরপর তাদের অন্তর বিগড়িয়ে যাওয়ার ভয় না হত তাহলে আমি বহির্ভূত দেওয়ালকে কাঁবা ঘরের মাঝে শামিল করে দিতাম এবং এর দরজাকে মাটির বরাবরে মিলিয়ে দিতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আকাঙ্ক্ষা হাদিস নাম্বারঃ ৬৭৪৯

অক্টো. 202013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) ও লাইছ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বিরতিহীন রোযা রাখতে নিষেধ করলেন। সাহাবাগণ বললেনঃ আপনি বিরতিহীন রোযা রাখছেন? তিনি বললেনঃ তোমাদের কে আছ আমার মতো? আমি তো রাত্রি যাপন করি এমতাবস্থায় যে আমার প্রতিপালক আমাকে আহার করান ও পান করান। কিন্তু তারা যখন বিরত থাকতে অস্বীকার করলেন, তখন তিনি তাদেরসহ একদিন, তারপর আর একদিন রোযা রাখলেন। তারপর তারা নতূন চাঁদ দেখতে পেলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ যদি চাঁদ আরো দেরীতে উদিত হত, তাহলে আমিও তোমাদের (রোযা) বাড়াতাম। তিনি যেন তাদেরকে শ্বাসাচ্ছিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আকাঙ্ক্ষা হাদিস নাম্বারঃ ৬৭৪৮