অক্টো. 112013
 

সালত ইব্‌ন মুহাম্মদ (রহঃ) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ……… আয়াতে …… শব্দের অর্থ উত্তরাধিকারী। আর ………… আয়াতের তাফসীর প্রশংগে তিনি (ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)) বলেন, মদীনায় মুহাজিরদের নাবী (সাঃ) – এর কাছে আগমনের পর।।বী (সাঃ) মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে যে ভাতৃত্বের বন্ধন স্থাপন করেন, তার ভিত্তিতে মুহাজিররা আনসারদের উত্তরাধিকারী হত, কিন্তু আনসারদের আত্মীয়-স্বজনরা ওয়ারিস হত না। যখন……… এ আয়াত নাযিল হল, তখন …… আয়াতের হুকুম রহিত হয়ে গেল। তারপর তিনি আরো বলেন উপরোক্ত আয়াতের প্রেক্ষিতে মুহাজির ও আনসারদের পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা ও আদেশ-উপদেশের হুকুম বাকী রয়েছে। কিন্তু তাদের জন্য মীরাস বা উত্তরাধিকার স্বত্ব রহিত হয়ে গেছে। অবশ্য তাদের জন্য ওসীয়াত করা যেতে পারে।

সহীহ বুখার অধ্যায়ঃ যামিন হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ২১৪৫

অক্টো. 072013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বাবীরা নামী বাদীকে ক্রয় করতে চাইলে তার মালিকগণ তার উপর ওয়ালা-এর শর্তারোপ করল। আয়িশা (রাঃ) ব্যাপারটি নাবী (সাঃ) – এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ তাকে তুমি ক্রয় করে নাও কেননা ওয়ালা (স্বত্বাধিকার) হল ঐ ব্যাক্তির জন্য যে আযাদ করে দেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথের কাফফারা হাদিস নাম্বারঃ ৬২৬০

অক্টো. 072013
 

আবূ নূমান (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যাক্তি তার গোলামকে মুদাব্বীর বানালো। ঐ গোলাম ব্যতীত তার আর কোন মাল ছিল না। খবরটি নাবী (সাঃ) -এর কাছে পৌছল। তিনি বললেনঃ গোলামটিকে আমার কাছ থেকে কে ক্রয় করবে? নূআয়ম ইবন সাহহাম (রাঃ) তাকে আটশ দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করে নিল। সনদস্হিত রাবী আমর (রাঃ) বলেনঃ আমি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সে গোলামটি ছিল কিষতী আর (আযাদ করার) প্রথম বছরেই সে মারা গিয়েছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথের কাফফারা হাদিস নাম্বারঃ ৬২৫৯

অক্টো. 072013
 

মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহীম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি একটি মুসলমান গোলাম আযাদ করবে আল্লাহ তা’আলা সে গোলামের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে জাহান্নামের আগুন থেকে তার প্রতিটি অংকে মুক্ত করবেন। এমন কি তার গুপ্তাঙ্গকেও গোলামের গুপ্তাঙ্গের বিনিময়ে মুক্ত করবেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথের কাফফারা হাদিস নাম্বারঃ ৬২৫৮

অক্টো. 072013
 

মুহাম্মাদ ইবন মাহবুব (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর কাছে এসে বলল, আমি ধবংস হয়ে গেছি। তিনি বললেনঃ কি ব্যাপার? লোকটি বলল, রমযানে (দিনের বেলা) আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করে ফেলেছি? তিনি বললেনঃ তুমি কি এবংটি গোলাম আযাদ করতে সক্ষম? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে কি তুমি দু-মাস লাগাতার সাওম পালন করতে সক্ষম? সে বলল, না। তবে কি তুমি ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াতে পারবে? লোকটি বলল, না। রাবী বলেনঃ এমন সময় এক আনসার ব্যাক্তি একটি ‘আরক’ নিয়ে উপস্থিত হল। আর আরক হচ্ছে পরিমাপ পাত্র; তার মাঝে খেজুর ছিল। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ এটা নিয়ে যাও এবং তা সাদাকা করে দাও। সে বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আমার চেয়ে যে অভাবী তাকে কি দান করব? সে আরও বললঃ কসম ঐ মহান সত্তার, যিনি আপনাকে হকের (দ্বীনের) সাথে প্রেরণ-করেছেন; মদীনার দুউপত্যকার মধ্যবর্তী স্থানে আমার চেয়ে অধিক অভাবগ্রস্ত আর কেউ নেই। এরপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ যাও এগুলি তোমার পরিজনকে নিয়ে আহার করাও।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথের কাফফারা হাদিস নাম্বারঃ ৬২৫৩

অক্টো. 072013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) -এর কাছে এক ব্যাক্তি এসে বলল, আমি ধবংস হয়ে গেছি। তিনি বললেনঃ তোমার কি অবস্থা? লৌকটি বলল, রমযানে আমি আমার স্ত্রীর সাথে (দিনের বেলা) সহবাস করেছি। তিনি বললেনঃ তুমি কি একটি গোলাম আযাদ করতে সক্ষম? লোকটি বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে কি তুমি দু-মাস লাগাতার সাওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তা হলে কি তুমি ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াতে সক্ষম হবে? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ বস। লোকটি বসল। তারপর নাবী (সাঃ) -এর কাছে এক আরক- আনা হলো যাতে ছিল খেজুর। আর -আরক- হচ্ছে বড় ধরনের পরিমাপ পাত্র। তিনি বললেনঃ এটা নিরে যাও এবং তা সাদাকা করে দাও। লোকটি বলল, এটা কি আমার চাইতে অধিকতর অভাবীকে প্রদান করব? তখন নাবী (সাঃ) – হেসে ফেললেনঃ এমন কি তার মাড়ির দন্ত মুবারক পর্যন্ত দেখা গেল। তিনি বললেনঃ এটা তোমার পরিবারকে খাওয়াও।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথের কাফফারা হাদিস নাম্বারঃ ৬২৫২